গুগলকে জানাতে হবে- ১৫ আগস্ট শুধু ভারতের স্বাধীনতা দিবস নয়, বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবসও !

13902675_1074148442654690_406317336090499458_n.jpg’15 August ‘ দিয়ে গুগলে ইমেজ সার্চ দিলাম আর অবাক হয়ে গেলাম !
১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবস। শোক দিবস তথা ১৫ আগস্ট নিয়ে বাংলাদেশের অনলাইন পোর্টাল বা ব্লগগুলিতে কন্টেন্টও নেহায়াত কম নয়। কিন্তু ’15 August’ দিয়ে গুগলে ইমেজ সার্চ দিয়েই চোখ কপালে ওঠলো। ১৫ আগস্টের আবহের কোন ছবি তো নেইই পুরো রেজাল্ট স্ক্রল করে বঙ্গবন্ধুরও একটি ছবিও দেখা গেলনা, পুরো সার্চ রেজাল্ট ভরা ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ছবিতে। তাহলে গুগল কি জানেনা ১৫ আগস্ট শুধু ভারতের স্বাধীনতা দিবস নয়, বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবসও ? গুগল নিশ্চয় জানে তবে সেটা বাংলায়, এবার গুগলকে ইংরেজিতে জানাতে হবে আমাদের জাতীয় শোক দিবসের কথা অর্থাৎ এখন থেকে ইংরেজিতে ১৫ আগস্টের কন্টেন্ট এত বেশী তৈরি করতে হবে যাতে গুগল বাধ্য হয় সার্চ রেজাল্টে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পাশাপাশি আমাদের জাতীয় শোক দিবসের ছবিও দেখাতে, অন্তত বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখাতে ।
13902675_1074148442654690_406317336090499458_n
Click/Tap this image to Join the Conversations

চট্টগ্রামে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বিশ্বমানের হাসপাতাল!

file (2).jpg
Click/Tap this image to Join the Conversations.
শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ৩৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক এবং বহুমুখী বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেডে’। চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে রয়েছে নানান অনিয়ম। প্রয়োজন ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে রাখা ও অস্ত্রোপচার করা, অহেতুক রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা করা, রোগীকে সময় কম দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া, ভুলচিকিৎসাসহ হরেক রকম অনিয়মের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। এ কারণে, সামর্থ্যবান ও সচেতন রোগী এবং তাদের স্বজনেরা এড়িয়ে চলছেন স্থানীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাকে। উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় কয়েকটি বিশ্বমানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল গড়ে উঠলেও বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত এ চট্টগ্রাম শহরে তা নেই। ফলে, চট্টগ্রামের সামর্থবান মানুষদের একটা অংশ মানসম্মত ও উন্নত চিকিৎসার জন্য হরহামেশা ঢাকা ও দেশের বাইরে ছুটতে হচ্ছে। তাই অনেকদিন ধরেই চট্টগ্রামবাসী এরকম আধুনিক একটি হাসপাতালের প্রয়োজন অনুভব করছিলেন। উন্নত চিকিৎসাসেবার এই সংকট ঘোচাতে তাই গড়ে উঠছে বেসরকারি উদ্যোগে বিশ্বমানের ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল। হাসপাতালটির নির্মাণকাজ এখন শেষ পর্যায়ে।
পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন ৭ একর জায়গার ওপর নির্মিত এ হাসপাতাল বিশ্বমানের আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার সমন্বয়ে সমৃদ্ধ। সম্প্রতি, সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এবং অস্ট্রিয়াভিত্তিক বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভেমেড হেলথ্ কেয়ার ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে গতকাল ৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চলতি বছরের শেষদিকে অথবা আগামী বছরের শুরুতে ২০০ শয্যা নিয়ে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুরু হবে। চিকিৎসার সার্বিক মান উন্নয়নে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল প্রশিক্ষিত নার্স ও টেকনিশিয়ান তৈরির লক্ষ্যে আবাসন সুবিধাসহ একটি নার্স ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। সর্বোপরি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীদের জন্য হাসপাতালের ১০ শতাংশ চিকিৎসা সুবিধা বরাদ্দ ব্যবস্থা রয়েছে। ক্যানসার ও কিডনিজনিত রোগের চিকিৎসার জন্য থাকছে বিশেষায়িত ব্যবস্থা। এ হাসপাতাল এলাকায় পরবর্তীতে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন গড়ে তোলা হবে। যেখানে থাকবে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত ক্যান্সার শাখা। এছাড়া ৬ লাখ বর্গফুটের এ হাসপাতালে ৮৮টি সিঙ্গেল, ৭৬টি ডাবল কেবিন, ১৪টি অস্ত্রোপচার কক্ষ, ৭৫টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড, ৫২টি কনসালটিং রুম, রোগীর স্বজনদের থাকার জন্য ৪০টি রুম এবং ২৭১ জন থাকার ডরমেটরিও থাকছে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে গুরুতর রোগীদের দ্রুত ও নিরাপদ স্থানান্তরের জন্য আধুনিক লাইফ সাপোর্ট চিকিৎসা সংবলিত অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা থাকছে। সেইসঙ্গে দূরবর্তী বা সংকটাপন্ন এলাকা থেকে রোগীদের আনার জন্য হেলিপ্যাড সেবা থাকছে। একই সঙ্গে দূরবর্তী রোগীদের দর্শনার্থীদের থাকার সুবিধার জন্য হাসপাতাল ক্যাম্পাসেই আবাসন সুযোগও থাকবে।
 
পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চক্ষুরোগ বিশেষ্‌জ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এ হাসপাতালের উদ্যোক্তা। প্রায় সাড়ে ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য আধুনিক এই হাসপাতালটি তার ড্রীম প্রজেক্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের উচ্চ আয়ের মানুষরা চিকিৎসার জন্য ভারত বা সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। আর মধ্য এবং নিম্ন আয়ের মানুষরা ভালো চিকিৎসা সেবা পান না। সবার জন্য সুষ্ঠু এবং উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতেই চট্টগ্রামের এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করছি আমরা। তিনি জানিয়েছেন, এ হাসপাতাল প্রকল্পে ২০০ কোটি টাকা অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। দেশে এই প্রথম বেসরকারি কোনো হাসপাতালে অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। চক্ষু হাসপাতালের নান্দনিক অবকাঠামো ও সেবার মান দেখে বিশ্বব্যাংক ইমপেরিয়াল হাসপাতালে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে বলে জানালেন ডা. রবিউল হোসেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের সেবার মনোভাব নিয়ে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। এরকম উদ্যোগ দেশে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর সাথে সাথে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম দূর করতে সহায়তা করবে।

 

Join the Conversations on this Content –

file (2)
Click/Tap this image to Join the Conversations.

ইলিশের সরবরাহ প্রচুর, দাম নাগালের বাইরে ! দাম বেড়েছে পেঁয়াজ রসুন আদারও ।

gd_55016_1502505247
Click/Tap this image to Join the Conversations

বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ প্রচুর। তরপরও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় দাম একটু কমেছে। কিন্তু দাম আরও কমা উচিত ছিল বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

 

দাম না কমা সম্পর্কে বিক্রেতাদের বক্তব্য- ‘এই সময় যেভাবে ইলিশের সরবরাহ থাকার কথা ছিল সেভাবে নেই।

এ কারণে দাম দ্রুত কমছে না। তবে দু-চার দিন পর দাম আরও কমবে।’ এদিকে নতুন করে দাম বেড়েছে পেঁয়াজ,আদা ও রসুনের। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি, চাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্য।

শুক্রবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া বাজার ও কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।

এদিন রাজধানীতে বাজার ভেদে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় দুই হাজার ৪০০ টাকা জোড়া। তবে এই আকারের মাছ গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল তিন হাজার থেকে তিন হাজার ২০০ টাকায়। সে তুলনায় জোড়ায় কমেছে ৬০০-৮০০ টাকা।

৮০০ গ্রাম ওজনের এক জোড়া ইলিশ বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৪০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল এক হাজার ৮০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে জোড়াপ্রতি কমেছে ৪০০ টাকা।

৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের জোড়া বিক্রি হয়েছে এক হাজার ২০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৪০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে জোড়ায় কমেছে ২০০ টাকা। ৫০০ গ্রাম ওজনের এক জোড়া ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে জোড়ায় কমেছে ৩০০ টাকা।

এ ছাড়া জাটকা সাইজের এককেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে কমেছে কেজিতে ২০০ টাকা। কারওয়ান বাজারের ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী শুকুর আলী জানান, চলতি সপ্তাহে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।

তাই দামও অনেকটা কমে গেছে। এভাবে যত বেশি সরবরাহ বাড়বে দামও তত বেশি কমবে। একই বাজারের ব্যবসায়ী শামসুল হক বলেন, ‘যেভাবে মাছ ধরা পড়ার খবর শোনা যাচ্ছে সেভাবে সরবরাহ বাড়েনি। তাই কাক্সিক্ষত মাত্রায় কমে যায়নি।’

অপর ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী মাঈনুদ্দিন বলেন, ‘পরশু দিন ইলিশের দাম একটু কম ছিল। সে তুলনায় আজ (শুক্রবার) দাম একটু চড়া। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মাছের সরবরাহ এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। দু-চারদিন পর দাম কমবে।’

শেওড়া পাড়া বাজারের মাছ কিনতে এসেছিলেন ব্যবসায়ী শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শুনেছি প্রচুর ইলিশ ধড়া পড়ছে। তাই অনেক আশা নিয়েই বাজারে এসেছি। কিন্তু এসে দেখলাম আশানুরূপ দাম কমেনি। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে।’

তিনি বলেন, ‘দাম কাক্সিক্ষত মাত্রায় না কমার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা যেসব কথা বলছেন সেগুলো ঠিক নয়। অনেক সময় ইলিশ মাছ বেশি ধরা পড়লে সেগুলো ফ্রিজে রেখে দেয়া হয়।

পরে দাম বাড়লে বিক্রি করা হয়। মজুদদারির বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের খতিয়ে দেখা উচিত। কেননা এ থেকে জেলেরা কোনো সুবিধা পান না। মধ্যস্বত্বভোগীরা মাঝখান থেকে পকেট ভারি করেন। এটা মেনে নেয়া যায় না।’

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫২ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫ টাকা। আমদানি করা রসুন প্রতিকেজি ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ টাকা। দেশি রসুনও প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

আদা বিক্রি হয় ১২০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ টাকা। এভাবে দাম বাড়ার সঠিক কোনো কারণ জানাতে পারেননি কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী জুয়েল। তিনি বলেন, বৃষ্টি, ঈদসহ বিভিন্ন কারণে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে।

শুক্রবার প্রতিকেজি আলু ২০-২৫ টাকা, পটল ৪৫-৫০ টাকা, কচুমুখি ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিচ ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪৫ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিন ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় প্রতি কেজি ১৪০-১৪৫ টাকা, লেয়ার (সাদা) ১৬০ টাকা এবং লেয়ার (লাল) ১৯০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, খাসি ৭৫০ টাকা এবং বকরির মাংস ৬০০ টাকা। এদিকে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হয়েছে সব ধরনের চাল। এ ছাড়া ইলিশ মাছের বাইরে অন্যান্য মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

Join the Conversations on this Content –

 

gd_55016_1502505247
Click/Tap this image to Join the Conversations

 

ফ্রি ওয়াইফাইয়ের অপব্যবহার করছে ভারতীয়রা !

free-wifi_53066_1500880051ভারতকে প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে নিতে দেশটির পাবলিক প্লেস, শপিং মল এমনকি রেল স্টেশনে মিলছে বিনামূল্যের ইন্টারনেট সেবা।

তবে ভারতীয়রা এই সেবার বাজে ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে অ্যান্টি-ভাইরাস প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘নরটন’। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।

তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্রি ওয়াইফাই পেলে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ভারতীয় ‘অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট’ বা পর্ণ দেখেন। হোটেল, এয়ারপোর্ট এমনকি পাঠাগারেও বিনামূল্যে ওয়াইফাই পেলে স্মার্টফোনে পর্ন দেখতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ভারতীয়রা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে প্রতি ছয়জনের মধ্যে একজন ব্যক্তি ফ্রি-তে ওয়াইফাই পেলেই পর্ন দেখেন। আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, মেক্সিকো, ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডের মতো দেশের ছবিটাও একই।

গরুর পরে এবার মাছ খাওয়াতেও ‘হিন্দু’ নিষেধাজ্ঞা!

231238fish.jpgগরুর পরে এবার হিন্দু ধর্মালম্বীদের ঈশ্বরের আসনে বসতে চলেছে আর এক জীব ‘মাছ’। এবার মাছ নিয়ে ফোতয়া জারি করেছে ভারতের ‘সারা ভারত মৎস রক্ষা কমিটি’ নামের একটি সংগঠন। ‘মৎস-রক্ষক’-দের মতে, মাছ হল ভগবান বিষ্ণুর একটি অবতার। অর্থাৎ তাদের মতে মাছ খাওয়া আর ঈশ্বরকে খাওয়া সমান। এই সংগঠনেরই এরকম একটি পোস্ট দেশটির সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু গরুর মতো মাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সারা ভারতে নরহত্যার মতো ঘটনা ঘটে কি না তাই এবার দেখার বিষয়।
সূত্র : এবেলা