গরুর পরে এবার মাছ খাওয়াতেও ‘হিন্দু’ নিষেধাজ্ঞা!

231238fish.jpgগরুর পরে এবার হিন্দু ধর্মালম্বীদের ঈশ্বরের আসনে বসতে চলেছে আর এক জীব ‘মাছ’। এবার মাছ নিয়ে ফোতয়া জারি করেছে ভারতের ‘সারা ভারত মৎস রক্ষা কমিটি’ নামের একটি সংগঠন। ‘মৎস-রক্ষক’-দের মতে, মাছ হল ভগবান বিষ্ণুর একটি অবতার। অর্থাৎ তাদের মতে মাছ খাওয়া আর ঈশ্বরকে খাওয়া সমান। এই সংগঠনেরই এরকম একটি পোস্ট দেশটির সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু গরুর মতো মাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সারা ভারতে নরহত্যার মতো ঘটনা ঘটে কি না তাই এবার দেখার বিষয়।
সূত্র : এবেলা 

চীনের রকেট হামলা : ১৫৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত

20106563_114099829232194_3636537944324270344_n.jpgতিব্বত সীমান্তে গোলযোগপূর্ণ এলাকায় সেনা ও গোলাবারুদ জড়ো করছিল ভারত।ঠিক সেই মুহূর্তে রকেট হামলা চালিয়ে ভারতীয় সেনাদের ঘাটি উড়িয়ে দিয়েছে চীন।ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে ভারতীয় সেনাদের ঘাটি সম্পূর্ণ রুপে ধ্বংস হয়েছে।ঠিক কত জন সেনা নিহত হয়েছে এই ব্যাপারে কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি ভারতীয় মিডিয়ায়।তবে হামলার কথা অস্বীকার করে কোন বিবৃতও দেয় নি ভারতীয় মিডিয়া।কিন্তু ভারতীয় কয়েকজন মেজর টুইটারে এই হামলার ঘটনা অস্বীকার করে জানিয়েছেন এটা পাকিস্তানি মিডিয়ার প্রপাগান্ডা।

কিন্তু এরই মধ্যে ভারতের অন্যতম প্রধান মিডিয়া ABP স্বীকার করলচীনের আক্রমণের স্বীকার হয়েছে ভারতীয় সেনারা।তাই সেনা বাহিনীতে বড় রদবদল হয়েছে।

অন্য দিকে পাকিস্তানি মিডিয়ায় দাবি করা হয়েছে ১৫৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে.৪ টি অস্ত্র বোঝাই ট্রাক সম্পূর্ণ রুপে ধ্বংস হয়েছে।তারা হামলার বেশ কয়েকটি ছবিও ছেড়েছে।একই সাথে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হামলার ভিডিও প্রকাশিত করেছে তারা।

আহত ভারতীয় সেনাদের বহন করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে


রকেট হামলায় বিধ্বস্ত ভারতীয় ঘাটি

দেখুন ভিডিওতে,

ব্রেকিং … চীনা রকেট হামলায় ভারতের ১৫৮ সেনা নিহত!

saভারতের ভূখণ্ডে চীনা রকেট হামলায় ১৫৮ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম দুনিয়া টিভি। হামলায় বেশ কিছু সেনা আহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। চীনা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এই খবর প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমটি।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চীনা সেন্ট্রাল টেলিভিশনে দুই মিনিটের একটি ফুটেজের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চীনা সৈন্যরা তিব্বত অঞ্চলের সিকিম সীমান্ত দিয়ে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনাদের ওপর। ওই প্রতিবেদনেই সেনাদের হতাহতের বিষয়টি নিয়ে তথ্য দেওয়া হয়। এ ছাড়া চীনের আক্রমণে রকেট লঞ্চার, মেশিন গান এবং মর্টার ব্যবহার করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও চীন অথবা ভারতীয় কোনো গণমাধ্যমে এ সম্পর্কিত কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ওই প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনেকেই এই নিউজকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। এ ছাড়া মিশ্র প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দশক ধরেই ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকার মালিকানা নিয়ে গোলযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চীন ঘোষণা দিয়েছিল, যদি পাকিস্তান চায় তবে কাশ্মিরে নাক গলাবে তারা।

 

Join the Conversations on this Content here

sa
Click/Tap this image to Join the Conversations

news source :

কাশ্মীর নিয়ে চীনের নাক গলানো ভাল লাগছেনা মেহবুবার

mehbuba_52343_1500229751 (1)হঠাৎ কাশ্মীর নিয়ে নাক গলানোটা ভাল লাগছেনা ভারত-শাসিত কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির। খবর বিবিসির।

তার প্রশ্ন, চীন কি তাদের দীর্ঘদিনের অবস্থান পরিবর্তন করে কাশ্মীর বিতর্কে হস্তক্ষেপ করার রাস্তা বেছে নিয়েছে?

সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতা করারও প্রস্তাব দিয়েছে চীন, যা ভারত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে চীন যে ক্রমেই আরও বেশি করে কাশ্মীর-বিতর্কের ভেতর ঢুকতে চাইছে সে ইঙ্গিত স্পষ্ট।

আন্তর্জাতিকভাবে চীন পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত হলেও কাশ্মীর বিতর্কে তারা বরাবর একটা ভারসাম্যের নীতি নিয়েই চলেছে এবং এ সমস্যা দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করতে হবে, ভারতের এ বক্তব্যেও কখনও আপত্তি জানায়নি।

কিন্তু গত সপ্তাহেই প্রথম কাশ্মীর সঙ্কটে চীন মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেয়। এরপর শনিবার দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিও চীনের বিরুদ্ধে কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনেন।

মেহবুব মুফতি বলেন, কাশ্মীরের লড়াইতে বাইরের শক্তিও যে সামিল আছে তা সবারই জানা। আর কপাল খারাপই বলব, চীনও এখন এখানে নাক গলাতে শুরু করেছে। বাইরের শক্তিরাই আসলে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিবেশকে নষ্ট করছে।

কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী এর বেশি কিছু ভেঙে না-বললেও কাশ্মীরে চীনের ভূমিকা নিয়ে এর পর থেকেই তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

দিল্লি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও চীন-ভারত সম্পর্কের বিশেষজ্ঞ শ্রীমতি চক্রবর্তীর ধারণা, কাশ্মীরের ভেতর দিয়ে যাওয়া চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরে ভারতের তীব্র আপত্তিই সম্ভবত কাশ্মীর প্রশ্নে চীনকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।

ওই করিডর কাশ্মীরের ভেতর দিয়ে যাওয়ায় ভারত সেটাকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মনে করছে। হয়তো তাই চীন মনে করছে এ পরিস্থিতিতে যদি আলোচনার টেবিলে সব পক্ষকে আনা যায় তাহলে ভারতকে এটা বোঝানো যাবে যে,এ করিডর কোনও আঘাত-টাঘাত কিছু নয় বরং একটা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ।

ভারতকে এভাবে নরমে-গরমে রাখাটা যদি চীনের একটা উদ্দেশ্য হয়, তাহলে আর একটা উদ্দেশ্য মিত্র পাকিস্তানকে সাহায্য করা- বলছিলেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার বি ডি মিশ্রা।

ভারতের সাবেক ওই সেনা কর্মকর্তার কথায়, মেহবুবা মুফতি ঠিক কেন ওই মন্তব্য করেছেন তা বলা মুশকিল – তবে ভারতকে বিপাকে ফেলার কোনো সুযোগই যে চীন ছাড়বে না তাতে কোনও সন্দেহ নেই। আর সেটা যদি পাকিস্তানের পক্ষে যায় তা হলে তো কথাই নেই।

Join the Conversations on this Content here

mehbuba_52343_1500229751 (1)
Click/Tap this image to Join the Conversations

🖌 আল আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইলী পুলিশ

palestinians_52111_1500025697.jpgইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরাইলি পুলিশের গুলিতে তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গোলাগুলির ঘটনার পর ইসরায়েলের পুলিশ আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে জুমার দিনের নামাজও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না মসজিদটিতে। খবর আল জাজিরার।

স্থানীয় সময় শুক্রবার জেরুজালেমের প্রাচীন শহরে আল-আকসার একটি গেটের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

তবে ওই তিন ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী আল-আকসা মসজিদের একটি গেটের কাছাকাছি এসে প্রকাশ্যে গুলি ছুঁড়ছিল বলে দাবি করেছে ইসরাইলের পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ওই তিনজন গুলি ছুঁড়ে অপর তিন ব্যক্তিকে আহত করে পালানোর সময় পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এতে তারা নিহত হয়।

আলজাজিরার জেরুজালেম প্রতিবেদক হ্যারি ফসেট জানান, পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেরুজালেমের প্রাচীন শহরের দুং গেট এলাকায় ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গোলাগুলি হয়।

ফসেট বলেন, আল-আকসা মসজিদের ব্যবস্থাপকরা জানিয়েছেন, দুই ফিলিস্তিনির মৃতদেহ মসজিদসংলগ্ন প্রাঙ্গণে পড়ে ছিল।

গোলাগুলির এ ঘটনার পর ইসরাইলের পুলিশ আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে জুমার দিনের নামাজও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না মসজিদটিতে।

 

Join the Conversations on this Content here – 

palestinians_52111_1500025697
Click/Tap this image to Join this Conversations