🖌 এইচএসসিতে গড় পাসের হার ৬৮.৯১ শতাংশ

d6404365470305af51c67c5ccdbcb6c4-57b55cf8ccf45.jpgএইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার গড় পাসের হার ৬৮.৯১ শতাংশ। কারিগরিতে পাস ৮১.৩৩ শতাংশ,  ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৬.৮৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৭.০২ শতাংশ। সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৪১ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী। আর কারিগরিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ জন শিক্ষার্থী।

দিনাজপুর বোর্ডে পাস করেছে ৬৫.৪৪ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে পাস করেছে ৭১.৩০ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২৯৪ জন। বরিশাল বোর্ডে পাস করছে ৭০.২৮ শতাংশ।

রবিবার সকাল ১০ টার দিকে সব বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।

সকালে ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হলেও দুপুর ২টার পর শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট,নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, ‘শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট, নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।’

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত ২ এপ্রিল থেকে ১৫ মে এইচএসসির তত্ত্বীয় এবং ১৬ থেকে ২৫ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

🖌 ঢাবি অধিভুক্ত কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

image-90952-1500540339ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অধিভুক্ত সাতটি সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত মাস্টার্স শেষ পর্বের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হবে। এছাড়া অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা ১৬ অক্টোবর এবং ডিগ্রি প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা আগামী ৪ নভেম্বর শুরু হবে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে আজ বৃহস্পতিবার ৭টি কলেজের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একইসঙ্গে এই রুটিন নোটিশ আকারে জানানো হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর তারিখ জানিয়ে নোটিশ দিচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

পরীক্ষার ওই সূচির দাবিতে আজ সকাল থেকে শাহবাগে আন্দোলন করে ওই ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর এক পর্যায়ে বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে ও লাঠিপেটায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি আই.কে. সেলিম উল্লাহ খন্দকার জানান, ঢাবি অধিভুক্ত কলেজগুলোর পরীক্ষা তারিখ ঘোষণার বিষয়টি গতকাল এক সভায় আলোচনা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক। ওই বৈঠকে কলেজগুলোর পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।তিনি জানান, সাতটি কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে নেওয়া হবে। মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর, অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা ১৬ অক্টোবর এবং ডিগ্রি প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা আগামী ৪ নভেম্বর শুরু হবে। এছাড়া ডিগ্রি প্রথম বর্ষ, মাস্টার্স প্রথম ও শেষ পর্বের প্রাইভেট (রেজি.) পরীক্ষা ২৫ জুলাই থেকে ২৯ আগস্টের মধ্যে হতে পারে।গত ফেব্রুয়ারি সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল ইসলাম কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও মিরপুর বাঙলা কলেজ। এর আগে কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষাসহ নানা বিষয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন। এই সমস্যার সমাধানে ৭ দফা দাবিতে আজ সকাল ১০টার দিকে শাহবাগে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।তাদের অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছাত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। ওই সময় বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়।

🖌 ১৫ জুনের মধ্যে ৩৮ তম বিসিএসের সার্কুলার

চলতি মাসের ১৫ জুনের মধ্যেই ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারি করতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ৭ জুন ৩৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারি করা হবে বলে পিএসসি সূত্রে জানা গেছে। তবে দীর্ঘদিন পর বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি প্রশ্ন অনুষ্ঠিতব্য এই বিসিএসে দুই হাজার অধিক ক্যাডার নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।
ইতিমধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৩৮তম বিসিএসের শূন্য পদের তালিকা পেয়েছে কমিশন। আগামী বছরের জানুয়ারিতে এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহনের পরিকল্পনা রয়েছে।
৩৮তম বিসিএসের সার্কুলারের বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, জুন মাসের মধ্যেই ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারি করা হবে। একইসঙ্গে ৩৫তম বিসিএসের নন-ক্যাডারের ফলাফল যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার চেষ্টা চলছে।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল মাসে ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারি পরিকল্পনা থাকলেও গত ১২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ৩৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে আগামী ৭ জুন পর্যন্ত ব্যস্ত থাকবে পিএসসি। তবে ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারির সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে কমিশন। ৩৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই কমিশন সভায় সার্কুলার জারি সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে তা পত্রিকায় প্রকাশ করবে পিএসসি। এবার পিএসসির একজন নারী সদস্যকে আসন্ন ৩৮বিসিএসের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।
আগামী বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৫০ নম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রশ্ন রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএসসি। ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষা থেকে ৫০ নম্বরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে। সাব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সম্প্রতি পিএসসির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রথমদিকে বাংলাদেশ বিষয়াবলীতে ১০০ নম্বরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রশ্ন রাখার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পিএসসির এ সংক্রান্ত সাব কমিটি ৫০ নম্বর প্রশ্ন রাখার পক্ষে সুপারিশ করে। বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সনে প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে। এতে করে ইংরেজী ভার্সন ও ইংরেজী মাধ্যম থেকে আসা শিক্ষার্থীরা আগামীতে পরীক্ষা দিতে পারবেন ইংরেজী ভাষাতেই। এছাড়া টেকনিক্যাল ক্যাডারগুলোর পরীক্ষা আরো সময়োপযোগী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

🖌 পরীক্ষায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার হিন্দু মাদ্রাসাছাত্রী(!)’র অসাধারণ সাফল্য ও অনন্য ফেসবুক স্ট্যাটাস !

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে সম্প্রতি। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রশমা শাসমলের। ৭২৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছে ওই কিশোরী। গোটা রাজ্যের মধ্যে তার স্থান অষ্টম। মেয়ের এই সাফল্যে বাবা মা তো খুশি বটেই, খুশি শিক্ষকরাও। একা প্রশমা নয়, এ বছর হাই মাদ্রাসায় প্রায় ৫২ হাজার ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিল। তার মধ্যে প্রায় তেইশশো জন হিন্দু পড়ুয়া।

ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এক অসাধারণ লেখা সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট করেছে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের ওই কিশোরী। পড়ুন সেই লেখা—

“আমার প্রিয় দেশবাসী…
আমি প্রশমা শাসমল, আপনারা পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার ধূলাগড় এর নাম অনেক শুনেছেন… আমি সেই জেলারই উদয়নারায়নপুর ব্লকের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে…. বাবা মা ও ছোটো ভাই কে নিয়ে আমাদের পরিবার। এতটুকু পড়ার পর আপনারা নিশ্চয় বিরক্ত হয়ে ভাবছেন এইসব অপ্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য এত ঘটা করে দেশবাসীকে চিঠি লেখার কী প্রয়োজন… এরকম সাধারণ মেয়ে কয়েক কোটি এদেশে আছে…. একদম ঠিক ভেবেছেন, আমি খুব সাধারণ মেয়ে আর তাই নিজের কিছু অনুভুতি, ভালো লাগা, ভাবনা, জিজ্ঞাসা,কৌতূহল আপনাদের সবার সাথে ভাগ করে নিতে চাঁই… আপনাদের কিছুটা মুল্যবান সময় আমাকে দেবেন এই আশা রাখি…

আমি প্রাইমারী স্কুলের গণ্ডী পেরিয়ে এলাকার আর পাঁচটা সাধারণ ছাত্রীর মতন পঞ্চম শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছিলাম স্থানীয় গড়ভবানীপুর উষারানী করাতি বালিকা বিদ্যালয়ে… ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনো আমার ভীষন প্রিয়,দিনের অনেকটা সময় আমি কাটিয়ে দিতাম বই খাতা নিয়েই… বাবা মাও আমাকে উৎসাহ দিতেন…. স্কুলের রোজকার পড়াশোনর বাইরে বাবাকে ব্যাস্ত করতাম নানা জাগতিক বিষয়ে প্রশ্ন করে….ক্লাস ফাইভের ফাইনাল পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করার পর একদিন বাবা হঠাৎ অফিস থেকে বাড়ি ফিরে আমায় বললেন…” মা তুই খলতপুর মাদ্রাসায় ভর্তি হবি…? শুনেছি ওখানে খুব ভালো পড়াশুনো হয়, তুই এত ভালো রেজাল্ট করেছিস…ওখানে মাস্টার মশাইরা খুব যত্ন নিয়ে পড়ায়, আমি শুনেছি”… প্রথমে আমি একটু অরাজি ছিলাম কারন পুরোনো স্কুলের বন্ধুদের ছেড়ে যেতে হবে, তারপর আমি একজন হিন্দু ঘরের মেয়ে… মাদ্রাসার সম্পূর্ণ অজানা অচেনা পরিবেশ,মাদ্রাসা মানেই একটা অজানা আশঙ্কা… আমি কী মানিয়ে নিতে পারবো… কিন্তু, সব আশঙ্কা ছাপিয়ে খলতপুর মাদ্রাসায় ভালো পড়াশুনো হয়, মাস্টার মশাইরা খুব যত্ন নিয়ে পড়ায়… বাবার এইসব কথাগুলি আমায় বেশি আকৃষ্ট করেছিলো… ভর্তি হয়ে গেলাম খলতপুর মাদ্রাসায়….

prosoma-statusখুব অল্প দিনেই অনেক নতুন বন্ধু পেয়ে গেলাম…আনোয়ারা , ফতেমা, শামিমা, রেশমা, পূর্নিমা…. খলতপুর মাদ্রাসা আমার কাছে মন্দির হয়ে উঠলো… নুরুল স্যার,আরিফুল স্যার, কলিম স্যারেদের সস্নেহ প্রশ্রয়ে আমরা মাদ্রাসা দাপিয়ে বেড়াতাম, খেলা ধুলো সহ সবেতেই আমরা মেয়েরা এগিয়ে থাকতাম… তবে মন দিয়ে পড়াশুনোটাও করতাম…. এক মুহুর্তের জন্য কখনো মনে হয় নিই আমি কোনো অপরিচিত পরিবেশে পড়াশুনো করছি… আমি যেমন স্বছন্দে ঈদের দিন আনোয়ারা, ফতেমা , শামিমার বাড়িতে ওদের সাথে উৎসবে মিশে যাই তেমন ভাবে ওরাও সরস্বতী পূজোর দিন আমাদের বাড়িতে সারাদিন আমার সাথে মিলে পূজোয় আনন্দ করে প্রতি বছর… সামান্যতম সময়ের জন্য কোনোদিন মনে হয় নিই ওরা মুসলিম আমি হিন্দু। মাদ্রাসায় আমার পড়াশুনো , ভালো রেজাল্ট আর স্যারেদের আমার প্রতি যত্ন নেওয়া দেখে বাবা -মা আমার ছোটো ভাই কেও আমার মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন তিন বছর আগে…..

এবছর আমি হাই মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষায় ৭২৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যের মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় ও রাজ্যের মদহ্যে অষ্টম স্থান পেয়েছি। বাবা মা, স্যারেরা সবাই খুব খুশী… আজকে আমার মাদ্রাসার সব ছাত্র ছাত্রী ও স্যারেরা মিলে আমায় সংবর্ধনা দিলো… আমি এই মাদ্রাসার ছাত্রী হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। শুধু আমি নই, এবছর হাই মাদ্রাসায় মোট ৫২,১১৫ জন ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিলো পশ্চিম বঙ্গে এবং তার মধ্যে ২,২৮৭ জন হিন্দু ছাত্র ছাত্রী।

চারিদিকে অসহিষ্ণুতার বিষাক্ত ছোবল, আমি শুনতে পাই হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, অশান্তি…কত কিছু… কিন্তু বিশ্বাস করুণ, কখনো একটি হিন্দু মেয়ে হিসেবে মাদ্রাসার ছাত্রী হয়ে নিজেকে বিপন্ন মনে হয় নিই…. কখনো আমার কোনো বন্ধুর চোখে আমি এক মুহুর্তের জন্য আমার প্রতি অবিশ্বাস দেখি নিই… বিশ্বাস করুণ, পাশের এলাকা ধুলাগর নিয়ে কত কথা শুনেছি, কিন্তু সেই মুহূর্তেও আমি আনোয়ারার বাড়িতে বসে একসাথে পড়াশুনো করেছি… পড়ার শেষে আনোয়ারার বাবা রহিম কাকু আমাকে বাড়ি পৌছে দিয়েছে… বাবা মা নিশ্চিন্তে আমার অপেক্ষায় থাকতেন… আমি আমার মতন করে এই পরিবেশে নিজেকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করেছি… হ্যা, এই বাংলার মাটিতেই এটা সম্ভব হয়েছে… আমি কৃতজ্ঞ এই বাংলার পবিত্র মাটির প্রতি…. আজ আমার এই সাফল্য তাই আমি এই বাংলার অখ্যাত খলতপুর গ্রামের হাই মাদ্রাসা কেই উৎসর্গ করতে চাঁই… ও আর একটি কথা জানাতে ভুলে গেছি… আমি এই মাদ্রাসাতেই একাদশ শ্রেনীতে পড়াশুনো করবো…. আপনাদের সবার আশির্বাদ চাঁই…. সবাই খুব ভালো থাকবেন। ।

ইতি বাংলার এক সাধারণ মেয়ে ,
প্রশমা শাসমল।

🖌 বঙ্গমাতা ও শেখ হাসিনার নামে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়

170001Montri_shova_ok_new_kalerkantho_pic.jpgবঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের খসড়ার ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৬-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।

নেত্রকোনায় এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তিনি বলেন, এটি হবে দেশের সম্ভাব্য ৪০তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। নেত্রকোনাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জামালপুরের মেলান্দ উপজেলায় শেখ ফজিলাতুন্নেছা ফিশারিজ কলেজকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়েছে।

কবে নাগাদে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেবল প্রস্তাব অনুমোদন করা হলো। এরপর এটা নিয়ে আরও অনেক প্রক্রিয়া বাকি আছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের মতোই এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় চলবে।