বাজারে আসছে বিশ্বখ্যাত ব্রান্ড নাইকির হিজাব

মুসলমান নারী অ্যাথলেটদের জন্য হিজাব তৈরির ঘোষণা দিয়েছে ক্রীড়া পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নাইকি। ২০১৮ সালে বাজারে আসবে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানটির হিজাব। বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকা।

নতুন এ হিজাবটির ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে যে সেটি মুসলিম অ্যাথলেটদের খেলাধুলা আরো আরামদায়ক করবে।

নাইকি বলছে, একবছর ধরে তারা এ হিজাব নিয়ে কাজ করছে।

স্টোর্টিং হিজাব বাজারে আগে থেকেই থাকলেও এই প্রথম নাইকির মতো কোনো বড় প্রতিষ্ঠান মুসলিম নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় এ পণ্যটি আনার ঘোষণা দিলো।

এতদিন স্পোর্টিং হিজাব তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছে ক্যাপস্টার্স এবং রিস্পোর্টঅনের মতো ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো।

গেল মাসে নাইকি পরীক্ষামূলক একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু নারী এ্যাথলেটদের তা পরিয়ে।

নাইকি মুখপাত্র মেগান সালফেল্ড আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই হিজাবের ধারণা এসেছে মুসলিম নারী অ্যাথলেটদের সরাসরি অনুরোধের পর।

🖌 এসির যুগও তাহলে শেষ হতে পারে?


হো চি মিন সিটির আর্দ্র বাতাসে মিনিট পাঁচেক থাকলেই আপনি স্বস্তির খোঁজে আশপাশের কোনো শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) কামরায় ছুটে যাবেন। ভিয়েতনামের ওই শহরের মতো এশিয়ার উন্নয়নশীল অনেক দেশে এসির ব্যবহার বেড়েছে। যেমন ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের মতো প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার বিভিন্ন দেশে গরম কখনো কখনো সহনীয় মাত্রার বাইরে চলে যাচ্ছে।
কিন্তু একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ভিন্ন উপায়ে পরিবেশ শীতল রাখার উপায় বের করেছে। টিথ্রি আর্কিটেকচার এশিয়া নামের প্রতিষ্ঠানটির দপ্তর আছে ভিয়েতনাম ও ফ্রান্সে। তারা জৈব-পরিবেশভিত্তিক স্থাপত্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে। এ জন্য প্রচুর জ্বালানিখেকো এসির পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপায়েই ঘরের ভেতর একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় অবস্থা, জলবায়ু এবং গাছপালার সাহায্য লাগবে।
কার্বন ট্রাস্ট নামের পরামর্শক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাইলস ম্যাককার্থি বলেন, সব নতুন ভবনই এখন পরিবেশবান্ধব নকশায় নির্মাণ করা জরুরি। এশীয় শহরগুলোর চাহিদা অনুযায়ী আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে ভবিষ্যতে জ্বালানি ও পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত রেখেই বসবাসোপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
টিথ্রি আর্কিটেকচার এশিয়ার পরিচালক শার্ল গায়াভার্দাঁ বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় তাঁরা হো চি মিন সিটিতে একটি সাশ্রয়ী অ্যাপার্টমেন্ট বানিয়েছেন। এতে একটি দরিদ্র এলাকার ৩৫০টি পরিবারের আবাসনের বন্দোবস্ত হয়েছে। কিন্তু এসির জন্য তাঁদের কোনো খরচ লাগছে না। ভবনটির নকশাটাই এমন যে হো চি মিন সিটির মতো উষ্ণ পরিবেশেও শীতাতপনিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো অর্থ খরচের প্রয়োজন নেই।
স্থাপত্যবিদেরা বললেন, এ রকম পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণের জন্য তাঁরা পূর্ব ও পশ্চিমমুখী সামনের অংশে বড় বড় কাচের দেয়াল ব্যবহার থেকে বিরত ছিলেন। বারান্দা ও ছাদে প্রাকৃতিক আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হয়। এই নকশায় নির্মিত ভবনের তাপমাত্রা বাইরের চেয়ে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম হয়ে থাকে।
গায়াভার্দাঁ মিয়ানমার ও কম্বোডিয়ায় বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল পরিবেশবান্ধব ভবনের নকশা করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যে সেগুলো নির্মাণের কাজ শেষ। তাই দেখে অন্য স্থাপত্যবিদেরাও অনুপ্রাণিত হয়েছেন। অবশ্য এ রকম ভবনের ধারণা বা দৃষ্টান্ত নতুন নয়। ২০ শতকের আগে থেকেই পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণের প্রচলন ছিল। স্পেনের ঐতিহ্যবাহী বসতবাড়ি এবং চীনা গ্রামের বাড়িগুলো দেখলেই সেটা বোঝা যায়।
মার্কিন প্রকৌশলী উইলিস হ্যাভিল্যান্ড ক্যারিয়ার ১৯০২ সালে এসি আবিষ্কার করেন। সেই থেকে জৈব-পরিবেশনির্ভর তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার প্রতি মানুষের গুরুত্ব কমে যায়। আজকের যুগে বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবহারের ৪০ শতাংশই খরচ হয় পরিবেশ শীতলীকরণের কাজে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার অনুমান, ২০৫০ সালের মধ্যে এশিয়া থেকেই ৮০ শতাংশ এসির চাহিদা আসবে।

🖌 এই ১০ বিষয় জানলে আপনি আর কখনোই নাশতা বাদ দেবেন না

150332breakfast.jpgসকালে নিয়মিত নাশতা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই নানা কারণে সকালে নাশতা বাদ দেন।

যদিও এ নাশতা খাওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই বাদ দেওয়া উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে ১০ বিষয় তুলে ধরা হলো এ লেখায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাইট সাইড।
১. সকালের নাশতা আপনার ওজন কমাতে সহায়ক। অনেকেই সকালের নাশতা খাওয়া বাদ দেন বাড়তি ওজনের ভয়ে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল। দেহের ওজন কমানোর জন্য বরং সকালে উচ্চ প্রোটিনযুক্ত নাশতা খাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
২. বুদ্ধি বাড়াতে প্রয়োজন সকালের নাশতা। এক্ষেত্রে যারা সকালের নাশতা বাদ দেন তাদের জেনে রাখা উচিত সকালের নাশতা বাদ দিলে এটি বুদ্ধিমত্তাও কমিয়ে দেয়।
৩. দিনটি ভালোভাবে শুরুর জন্য যে উদ্যম প্রয়োজন তা পাওয়া যায় সকালের নাশতা থেকে।
৪. সকালের নাশতা আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে নতুন করে শক্তিশালী করে।
৫. সকালের নাশতা আপনার উদ্বেগ কমাতে সহায়ক। এতে মানসিক চাপও কমে।
৬. সকালের নাশতা আপনার শারীরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনি যদি অ্যাথলেট হন তাহলে আপনার পারফর্মেন্সও বাড়বে।
৭. বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে ভালো একটি নাশতা।
৮. আপনার মুড ভালো করার জন্যও প্রয়োজন সকালের নাশতা।
৯. বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ হৃৎপিণ্ডের জন্য প্রয়োজন সকালের ভালো একটি নাশতা।
১০. নাশতা আপনার পরিবারের সব সদস্যের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করবে। এজন্য প্রতিদিন সকালে একসঙ্গে পুষ্টিকর নাশতা খান।

🖌 চাইনিজের ৪ পদ

1484035157.jpgসবসময় দেশি খাবার খেতে মন চায় না। তাই মাঝেমধ্যে স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন চাইনিজ খাবার। তাই ভিন্ন স্বাদের ৪টি চাইনিজ রেসিপি নিয়ে এই আয়োজন।
ফ্রাইড রাইস
উপকরণ: পোলাওয়ের চাল আধা কেজি, মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ, চিংড়ি ১ কাপ (খোসাছাড়ানো), ডিম ৪টি, আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ, পেঁয়াজ মোটা কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কলি আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, গাজর ১ কাপ (গ্রেট করা), চিনি পরিমাণমতো, টেস্টিং সল্ট ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বাটার ও তেল আধা কাপ, কাজু বাদাম পরিমাণমতো।
প্রণালি: ফুটন্ত পানিতে পোলাওয়ের চাল দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে মাড় ঝরিয়ে নিন। ভাত ঝরঝরা হতে হবে। এবার প্যানে বাটার ও তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচির অর্ধেক দিন। এবার মুরগি ও চিংড়ি, আদা-রসুন বাটা দিন। এরপর সয়াসস ও গোল মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভাপ দেওয়া সবজি ঢেলে দিন। কাঁচা মরিচ কুচি দিন। এবার রান্না করা ভাত দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজ কলি, ডিমের কুচি (ভেজে রাখা), টেস্টিং সল্ট, চিনি ও কাজু বাদাম দিয়ে ভালো করে নেড়েচেড়ে ২-৩ মিনিট পর সার্ভিং ডিশে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করুন।
চিকেন ফ্রাই
উপকরণ: মুরগি ১টি (৮ পিস), আদা বাটা ২ চা চামচ, কাঁচামরিচ বাটা আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ, চিনি আধা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস আধা চা চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, ডিম ২টা, কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবিল চামচ, টেম্পুরা পাউডার পরিমাণমতো।
প্রণালি: মুরগির টুকরা ভালো করে ধুয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে কেঁচে নিন। এবার তেল, ডিম, কর্নফ্লাওয়ার ও টেম্পুরা পাউডার বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মুরগি মেখে ২/৩ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। এবার ডিমে সামান্য লবণ, মরিচ গুঁড়া ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ফেটে নিন। মেরিনেট করা মুরগি ডিমে ডুবিয়ে টেম্পুরা পাউডারে গড়িয়ে ফ্রিজে কিছুক্ষণ রেখে ডুবো তেলে মাঝারি আঁচে সোনালি করে ভেজে নিন। সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
বিফ-চিলি-অনিয়ন
উপকরণ: গরুর মাংস স্ট্রিপ করে কাটা ১ কাপ, আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ, ভিনেগার ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ২ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ, বাটার ৪ টেবিল চামচ, ভাঁজখোলা পেঁয়াজ ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টি, কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণমতো।
প্রণালি: প্যানে বাটার দিন, গরম হলে আদা-রসুন দিয়ে নেড়ে সামান্য পানি দিয়ে মসলা কষান। এবার ভিনেগার, সয়াসস দিয়ে মেখে রাখা মাংস ঢেলে দিন। চিনি, গোলমরিচ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। প্রয়োজন হলে সামান্য গরম পানি দিন। এবার ভাঁজখোলা পেঁয়াজ দিন। ২ মিনিট নেড়ে কর্নফ্লাওয়ার গুলে দিন। তারপর টেস্টিং সল্ট, কাঁচা মরিচ (বিচি ছাড়ানো) দিন। হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে নিন।
হট অ্যান্ড সাওয়ার প্রন
উপকরণ: চিংড়ি ১ কাপ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ, চিলি সস ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ভিনেগার ২ চা চামচ, সয়াসস ২ চা চামচ, চিনি ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, তেল ২ টেবিল চামচ, বাটার ২ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চমচ, পেঁয়াজ কলি ১ মুঠো।
প্রণালি: চিংড়ির লেজ রেখে মাথা ও খোসা ফেলে দিন। এবার ধুয়ে সামান্য লবণ ও লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। প্যানে তেল ও বাটার দিয়ে রসুন কুচি দিন। তাতে চিংড়ি দিয়ে নেড়েচেড়ে টেস্টিং সল্ট, পেঁয়াজ কলি ও কর্নফ্লাওয়ার বাদে সব উপকরণ দিন। এবার কর্নফ্লাওয়ার চিকেন স্টকে গুলে ঢেলে দিন। তারপর টেস্টিং সল্ট, পেঁয়াজ কলি দিন। ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। বেশি ঘন যেন না হয়। এবার পরিবেশন ডিশে ঢেলে ফ্রাইড রাইসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

🖌 প্রথম প্রেমে পড়ার উন্মাদনার সময়টাতে ধৈর্য ধারণ করে ছেলের তার মায়ের পছন্দের জন্য অপেক্ষা করা উচিৎ আর মেয়ের উচিৎ তার বাবার পছন্দের জন্য অপেক্ষা করা।

loveপ্রেমে পড়াটা আবেগী ও অপরিপক্কতার ব্যাপার, তদুপরি এখানে রিস্ক ফ্যাক্টরও পুরোপুরি বিদ্যমান থাকে, প্রথম দেখায় যাকে ভাল লাগল, পরে তাকে অমন ভাল নাও লাগতে পারে। তাই শুধু নিজের প্রথম ভাল লাগার ভিত্তিতে প্রেমে পড়া এবং লাইফ পার্টনার সিলেক্ট করা একটি ভুল, এই ভুলের মাশুল দেওয়ার দৃষ্টান্ত সমাজে নেহাত কম নয়।

আমার মনে হয় ছেলের জন্য লাইফ পার্টনার ছেলের মা পছন্দ করলে আর মেয়ের জন্য লাইফ পার্টনার মেয়ের বাবা পছন্দ করলে প্রেম-ঘটিত সমস্যাগুলো থাকবেনা, আর ব্যাপারটি বেশ ন্যাচারাল এবং সামাজিকও বটে। একজন মা-ই বোধ করি ছেলের পছন্দটা সবচেয়ে ভাল বুঝে, অন্যদিকে মেয়ের পছন্দটাও সবচেয়ে ভাল বুঝে একজন বাবা-ই, এটি অবশ্য আমার অব্জারভেশন, ভাইস-ভার্সাও হতে পারে। আমি মনে করি প্রথম প্রেমে পড়ার উন্মাদনার সময়টাতে ধৈর্য ধারণ করে ছেলের তার মায়ের পছন্দের জন্য অপেক্ষা করা উচিৎ আর মেয়ের উচিৎ তার বাবার পছন্দের জন্য অপেক্ষা করা।