লেবু ইলিশ রান্নার সহজ উপায়

akashi20160915154331.jpgঈদের আয়োজনে মাংস খেতে খেতে এখন একটু ব্যতিক্রম কিছু খেতে মন চাইছে নিশ্চয়ই। এদিকে আবার বাজারে ইলিশও বেশ সহজলভ্য। তাই ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন ইলিশের একটি ব্যতিক্রম রান্না। মুখের স্বাদ বদলাতে এর জুড়ি নেই। চলুন শিখে নিই লেবু ইলিশ রান্নার সহজ উপায়-

উপকরণ : ইলিশ মাছ ৬-৭ টুকরা, পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, তেল আধা কাপ, হলুদ সামান্য, আস্ত কাঁচা মরিচ ফালি ৪-৫টি, লবণ পরিমাণমতো, লেবুর রস কোয়ার্টার কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, লেবুর খোসা (গ্রেট করা) আধা চা-চামচ।

প্রণালি : লেবুর খোসা বাদে সব উপকরণ মাখিয়ে মাছের টুকরোগুলো ৩০ মিনিট রেখে দিন। মেরিনেট করা মাছ মৃদু আঁচে চুলায় বসিয়ে ঢেকে দিন। ৭-৮ মিনিট পর মাছগুলো উল্টে দিয়ে আবার ঢেকে দিন। মাখা মাখা হলে লেবুর খোসা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

রেসিপি: চট্টগ্রামের বিখ্যাত ‘গরুর মাংসের কালা ভুনা’ ! ।| ‘মেজবানি গরুর মাংস’র পর এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত চট্টগ্রামী খাবার।

চট্টগ্রামের বিখ্যাত গরুর মাংসের কালা ভুনা রান্নার কথা না বললেই নয়। ঢাকার নানান হোটেলে খাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে যাদের তাদের কাছে কালা ভুনা ভালোই পছন্দের। অসম্ভব মজাদার এই খাবারটির জন্ম স্থান চট্টগ্রাম, তাই হয়তো চট্টগ্রামের কালো ভুনা স্বাদে- ঐতিহ্যে অন্য সবার চাইতে আলাদা।

শোনা গেছে সেখানে শুধুমাত্র এই কালা ভুনা রান্নার জন্য স্পেশাল বাবুর্চিও আছে, যাদের ডাক পড়ে বাইরে বিভিন্ন জায়গায়! আর চট্টগ্রামের বিয়ে বাড়িতে খাবারের মেনু তো কালো ভুনা ছাড়া কল্পনাই করা যায়না। কালা ভুনার এত সুনাম দেখে নিশ্চয়ই এখন ভাবছেন কিভাবে তা রান্না করা হয়? চিন্তা নেই, আপনাদের জন্যই শেয়ার করছি বিখ্যাত এই গরুর মাংসের রেসিপি। তৈরি করুণ বাড়িতেই চট্টগ্রামের বিখ্যাত গরুর মাংসের কালা ভুনা।

উপকরণ 

  • ৩ থেকে ৪ কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস
  • ১/২ চামচ বা মরিচ গুড়া
  • ১ চামচ হলুদ গুড়া
  • ১/২ চামচ জিরা গুড়া
  • ১/২ চামচ ধনিয়া গুড়া
  • ১ চাচম পেঁয়াজ বাটা
  • ২ চামচ রসুন বাটা
  • ১/২  চামচ আদা বাটা
  • সামান্য গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচি)
  • ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি
  • কয়েকটা কাঁচা মরিচ
  • পরিমান মত লবণ
  • সরিষার তেল

প্রনালী

মাংস কাটার পর ভাল মতো ধুয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ বাদে লবণ, তেল ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো মাংসটি এবার চুলায়  হালকা আঁচ রেখে তুলে দিতে হবে। এবার দুই কাপ পানি দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে দিন। মাংস সিদ্ব হতে সময় লাগবে।

আবারো গরম পানি এবং জাল বাড়িয়ে নিন  যদি মাংস না নরম হয়ে থাকে। ঝোল শুকিয়ে , মাংস নরম হয়ে যাবার পর রান্নার পাত্রটি সরিয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি কড়াই নিয়ে, তাতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ ভাঁজতে থাকুন। সোনালী রং হয়ে আসলো শেই কড়াইতে গরুর মাংস দিয়ে , হালকা আঁচে ভাজতে থাকুন।

ভাজিটি কাল হয়ে যাওয়া পর্যন্ত তা নাড়তে থাকুন, খেয়াল রাখবেন যেন পুড়ে না যায়। এই সময় চুলার পাশেই থাকুন। সবশেষে রান্নাটি নামানোর আগে লবণটি চেখে নিন। এবার পরিবেশন করুন চাটনি অথবা সালাদ সহ।

রেসিপি: চট্টগ্রামের বিখ্যাত ‘গরুর মাংসের কালা ভুনা’ ! ।| ‘মেজবানি গরুর মাংস’র পর এটিই সবচেয়ে বিখ্যাত চট্টগ্রামী খাবার।

চট্টগ্রামের বিখ্যাত গরুর মাংসের কালা ভুনা রান্নার কথা না বললেই নয়। ঢাকার নানান হোটেলে খাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে যাদের তাদের কাছে কালা ভুনা ভালোই পছন্দের। অসম্ভব মজাদার এই খাবারটির জন্ম স্থান চট্টগ্রাম, তাই হয়তো চট্টগ্রামের কালো ভুনা স্বাদে- ঐতিহ্যে অন্য সবার চাইতে আলাদা।

শোনা গেছে সেখানে শুধুমাত্র এই কালা ভুনা রান্নার জন্য স্পেশাল বাবুর্চিও আছে, যাদের ডাক পড়ে বাইরে বিভিন্ন জায়গায়! আর চট্টগ্রামের বিয়ে বাড়িতে খাবারের মেনু তো কালো ভুনা ছাড়া কল্পনাই করা যায়না। কালা ভুনার এত সুনাম দেখে নিশ্চয়ই এখন ভাবছেন কিভাবে তা রান্না করা হয়? চিন্তা নেই, আপনাদের জন্যই শেয়ার করছি বিখ্যাত এই গরুর মাংসের রেসিপি। তৈরি করুণ বাড়িতেই চট্টগ্রামের বিখ্যাত গরুর মাংসের কালা ভুনা।

উপকরণ 

  • ৩ থেকে ৪ কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস
  • ১/২ চামচ বা মরিচ গুড়া
  • ১ চামচ হলুদ গুড়া
  • ১/২ চামচ জিরা গুড়া
  • ১/২ চামচ ধনিয়া গুড়া
  • ১ চাচম পেঁয়াজ বাটা
  • ২ চামচ রসুন বাটা
  • ১/২  চামচ আদা বাটা
  • সামান্য গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচি)
  • ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি
  • কয়েকটা কাঁচা মরিচ
  • পরিমান মত লবণ
  • সরিষার তেল

প্রনালী

মাংস কাটার পর ভাল মতো ধুয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ বাদে লবণ, তেল ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো মাংসটি এবার চুলায়  হালকা আঁচ রেখে তুলে দিতে হবে। এবার দুই কাপ পানি দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে দিন। মাংস সিদ্ব হতে সময় লাগবে।

আবারো গরম পানি এবং জাল বাড়িয়ে নিন  যদি মাংস না নরম হয়ে থাকে। ঝোল শুকিয়ে , মাংস নরম হয়ে যাবার পর রান্নার পাত্রটি সরিয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি কড়াই নিয়ে, তাতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ ভাঁজতে থাকুন। সোনালী রং হয়ে আসলো শেই কড়াইতে গরুর মাংস দিয়ে , হালকা আঁচে ভাজতে থাকুন।

ভাজিটি কাল হয়ে যাওয়া পর্যন্ত তা নাড়তে থাকুন, খেয়াল রাখবেন যেন পুড়ে না যায়। এই সময় চুলার পাশেই থাকুন। সবশেষে রান্নাটি নামানোর আগে লবণটি চেখে নিন। এবার পরিবেশন করুন চাটনি অথবা সালাদ সহ।

ফিশ টিক্কা তৈরির সহজ রেসিপি

অতিথি অাপ্যায়নে কিংবা বিকেলের নাস্তায় মুখরোচক কিছু চাই। ফিশ টিক্কা হতে পারে তেমনই একটি রেসিপি। খুব সহজেই তৈরি করা যায় বলে ঝামেলাও নেই। রেসিপি জানা নেই? রইলো ফিশ টিক্কা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ : ভেটকি মাছ ৪ টুকরা, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ ১/২ চা চামচ, মেথি বাটা ১/২ চা চামচ, ক্রিম ১ টেবিল চামচ, রসুন ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি : মাছে লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাছে মাখিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ঘণ্টাখানেক পর বের করে কড়াইয়ে তেল গরম করে ব্রাউন কালার করে ভেজে নিন। সালাদের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

পাউরুটি দিয়ে ঝটপট মনলোভা রসমালাই

রসমালাইয়ের নাম শুনলে যে কারো জিভে পানি চলে আসে। মজাদার এই মিষ্টান্ন সাধারণত ছানা দিয়ে তৈরি হয়। তবে ঘরে থাকা পাউরুটি দিয়েও অভিন্ন স্বাদে তৈরি করা যায় মনলোভা রসমালাই। খুব সহজে অল্প সময়ে এটি তৈরি করা যায়। ইফতারিতে রসমালাইটি হতে পারে মনলোভা একটি খাবার। তাই এক নজরে দেখে নিতে পারেন সহজ রেসিপিটি।

যা যা লাগবে

দুধ ১ লিটার, ৪টুকরো পাউরুটি, চিনি ৫০ গ্রাম, ১০ থেকে ১২টি কাজুবাদাম কুচি, ১০ থেক ১২টি পেস্তা বাদাম, ৮ থেকে ১০টি কাঠবাদাম কুচি, ২ চিমটি জাফরান।

যেভাবে করবেন

প্রথমে ভালো করে দুধ জ্বাল করে নিতে হবে। এরপর দুধকে অল্প আঁচে জ্বাল দিয়ে আধা লিটারে নিয়ে আসুন। এবার তাতে চিনি, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা বাদাম, জাফরান দিয়ে জ্বাল দিয়ে আবারও অর্ধেকে নিয়ে আসুন। তারপর দুধ ঠাণ্ডা হলে পাউরুটিগুলোকে গোল করে কেটে রসের ভেতর দিয়ে দিন। দুধ গরম অবস্থায় দিলে পাউরুটি ভেঙ্গে যেতে পারে। পাউরুটি দুধে ভিজে নরম হয়ে গেলে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে পারেন। এবার পরিবেশন প্লেটে কাজুবাদাম, কাঠবাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার রসমালাই।