কোরবানির গরু কিনে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ২

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মুগাইপাড়ায় কোরবানির গরু কিনে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় ভটভটির দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১০ জন।

শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বাগমারার বাসুপাড়া ইউনিয়নের সগুনা গ্রামের মৃত আশতুল্যাহর ছেলে জয়নাল আবেদীন (৬০) ও বালানগর গ্রামের আব্দুল মজিদ (৬০)।

নিহতরা কোরাবানির গরু কিনে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া হাট থেকে ফিরছিলেন।

আহতদের মধ্যে সগুনা গ্রামের পিয়ার বক্স (৫২), বালানগর গ্রামের আব্দুল আজিজ (৪৬), হাবিবুর রহমান (৪৫), ট্রলির চালক দ্বীপনগর গ্রামের জামাল হোসেন (২৮), মনোয়ার হোসেন (৫০) এবং আকতার হোসেন (৪২) সহ ৮ জনকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রাজশাহীর বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম বাংলানিউজকে জানান, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নওগাঁর মান্দার উপজেলার চৌবাড়িয়া হাট থেকে কোরবানির জন্য গরু কিনে ভটভটি করে বাড়ি ফিরছিলেন কয়েকজন। পথে মুগাইপাড়া হাইস্কুলের সামনে বাগমারার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী একটি ট্রাক পেছন দিক ভটভটিটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জয়নাল নিহত হন এবং চালকসহ আরো অন্তত ১০ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মজিদের মৃত্যু হয়।

ফারাক্কার তেড়ে আসা পানিতে ‘টি’ বাঁধের ভাঙন-দশা! ১০ মিনিটেই তলিয়ে যেতে পারে রাজশাহী শহর- হাজারো বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ ধরে রেখেছেন পাউবো !

কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না রাজশাহী শহর রক্ষায় নির্মিত ‘টি’ বাঁধের ভাঙন। ফারাক্কার তেড়ে আসা পানিতে ভেসে যাচ্ছে জিও ব্যাগ। বাঁধ রক্ষায় দিনরাত পাথর ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এ বাঁধ ঠেকানো না গেলে মাত্র ১০ মিনিটেই তলিয়ে যাবে রাজশাহী শহর, এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক সিটি মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুজ্জামান লিটন।

ফারাক্কা থেকে তেড়ে আসা পানি গেল চারদিন আগেই আঘাত হেনেছে এ বাঁধে। তবে রাতদিন বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কিন্তু প্রবল স্রোতের তোড়ে বালুর বস্তা ভেসে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থায় অনেকটা দিশেহারা পাউবো। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বড় বড় পাথর ফেলা শুরু হয়েছে।

‘টি’ বাঁধের ভঙ্গুরদশা দেখে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন সাবেক সিটি মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি  বলেন, এ বাঁধটি নির্মাণের পর থেকে সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা বলছেন কিছুই হবে না, তাদের জানা উচিত, পদ্মার পানির অন্তত ১০ ফুট নিচে শহরের অবস্থান। কাজেই যদি ভাঙন ঠেকানো না যায়, তাহলে রাজশাহী শহর তলিয়ে যেতে ১০ মিনিটও সময় লাগবে না।

এদিকে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুখলেসুর রহমান বলেন, পদ্মায় আজও পানি কমেছে। কিন্তু তীব্র স্রোতের কারণে ‘টি’ বাঁধে প্রতিরক্ষার কাজ মারাত্মক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। কিন্তু বস্তাগুলো ঠিকঠাক মতো থাকছে না। প্রবল স্রোতের তোড়ে এগুলো টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে পাথর ফেলা শুরু হয়েছে।

তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।

বুধবার সকাল ১০টায় ‘টি’ বাঁধে গিয়ে দেখা যায়, বাঁধ রক্ষায় অনবরত বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। পাশেই বস্তাতে বালু ভরা হচ্ছে। পরে তা ভ্যান ও ভটভটি করে নিয়ে এসে ‘টি’ বাঁধে ফেলা হচ্ছে। পাশাপাশি ঠিকাদারের শ্রমিকরা মাথায় করে নিয়ে এসে পাথর ফেলছে।

একেকটি পাথরের ওজন ৮০ কেজি থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত। আর প্রতিটি বস্তায় রয়েছে প্রায় ৩০ কেজি বালু।

এদিকে রাতে কাজ করার জন্য বিদ্যুতের অস্থায়ী সংযোগ দিয়ে টানানো হয়েছে বাল্ব।

শ্রমিকরা জানান, চারদিন ধরে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। কিন্তু প্রবল স্রোতে সব বস্তা ভেসে যাচ্ছে। অনেক সময় বস্তার সেলাই খসে বালু পড়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, বুধবার পদ্মায় রাজশাহী পয়েন্টে পানির প্রবাহ ছিল ১৮ দশমিক ৩৫ মিটার। পানি কমেছে। কিন্তু বাতাসের কারণে স্রোত তীব্র হয়েছে। ফলে ভাঙন ঠেকাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই রাত সাড়ে ১০ট পর্যন্ত কাজ চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ‘টি’ বাঁধ রক্ষায় শতশত জিও ব্যাগ ফেলা হলেও  পানির নিচে এগুলোর কী অবস্থা তা জানার মতো কোনও উপায় নেই। প্যাথমেট্রি সার্ভের মাধ্যমে পানির নিচের অবস্থা জানা যায়। কিন্তু  রাজশাহীতে এ ব্যবস্থা নেই।

ইলিশের কোল্ড স্টোরেজে মজুদ করা ১২৫ মণ মিষ্টি এখন ডাকাতিয়া নদীতে

ঈদ উপলক্ষে তৈরি করা ১২৫ মণ মিষ্টি চাঁদপুর পুরানবাজারের ইলিশ মাছের কোল্ড স্টোরেজ থেকে উদ্ধার করা হয়।  ১শ’ ১৩টি কন্টিনারে প্রায় ১২৫ মণ মিষ্টি জব্দ করে কোস্টগার্ড তা ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে দেয়।

২৮ জুন মঙ্গলবার বিকেলে পূবালী কোল্ড স্টোরেজে অভিযান চালিয়ে প্লাস্টিকের কন্টিনারে মজুদ করা মিষ্টিগুলো জব্দ করে।

কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা জানান, কোল্ড স্টোরেজ নিষিদ্ধ জাটকা মজুদ রয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডারের নেতৃত্বে বিকেলে শহরের পুরাণবাজার ৩নং কয়লাঘাট পূবালী কোল্ড স্টোরেজে অভিযান চালানো হয়।

এসময় কোল্ড স্টোরেজের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ঈদ উপলক্ষে ১শ’ ১৩টি প্লাস্টিকের কন্টিনারে মজুত করা প্রায় ১২৫ মণ মিষ্টির সন্ধান পায়, যার আনুমানিক দাম ৭ লাখ টাকা।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টগার্ড স্টোশন কমান্ডার সাব লেফটেন্যান্ট আতোয়ার আলী, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চাঁদপুর শাখার সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়।

পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় কুমার মোহন্ত ঘটনাস্থলে গিয়ে জব্দকৃত মিষ্টি নদীতে ফেলে নষ্ট করেন।

মিষ্টির পাঁচ মালিককে ১০ হাজার টাকা করে এবং কোল্ড স্টোরেজের মালিককে ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

জব্দকৃত মিষ্টিগুলো শহরের পুরানবাজার ও নতুন বাজার এলাকার দুলাল সুইটস, সুনন্দা সুইটস, কৃষ্ট ক্যাফে, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডার ও করুণা মিষ্টান্ন ভান্ডার, খায়ের মুন্সী, ইত্যাদি সুইটস, পেরাডাইস ও মিষ্টি মেলা নামের প্রতিষ্ঠানের।

এদের মধ্যে দুলাল সুইটস, সুনন্দা সুইটস, কৃষ্ট ক্যাফে, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ত ভান্ডর ও করুণা মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিকরা উপস্থিত থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার আইনে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।

বাকি ৫ প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উপস্থিত না থাকায় পূবালী কোল্ড স্টোরেজের ম্যানাজারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।  ১শ’ ১৩টি প্লাস্টিকের কেন্টিনে জব্দকৃত মিষ্টিগুলো ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে নষ্ট করা হয়।

মধ্য আকাশে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন এমপিসহ ৭২ যাত্রী

চট্টগ্রামের পর এবার রাজশাহী-ঢাকা চলাচলকারী বেসরকারি বিমান নাভোএয়ার অল্পের জন্য বড় ধরণের দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পেয়েছ। ফলে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন রাজশাহী-৩ আসনের (পবা-মোহনপুর) এমপি আয়েন উদ্দিনসহ বিমানের ৭২ যাত্রী।

সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭২ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড়াল দেয়। কিন্তু উড়ার পর মধ্যপথে যান্ত্রিক ক্রুটির কবলে পড়ে। ফলে রাজশাহীতে এসেও ল্যান্ড করতে না পেরে আবার ঢাকায় ফিরে যায়।

এরমধ্যে আকাশে অনেক সময় ধরে উড়ে শেষ পর্যন্ত শাহজালালে অবতরণ করতে সক্ষম হয় বিমানটি।

এসময় নিশ্চিত মৃত্যুর কাছাকাছি হওয়ায় যাত্রীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যাত্রীরা অনেকেই বিমানের ভেতরে কান্নাকাটি শুরু করেন।

ওই বিমানে থাকা রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন জানান, তিনিসহ বিমানটিতে থাকা ৭২ জন যাত্রী অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। বিমানটি রানওয়ে নামতে না পেরে মাঝপথ থেকে আবার ঢাকায় ফিরে আসে। এ সময় যাত্রীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনিও চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এমপি আয়েন উদ্দিন বলেন, ‘সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে উড়াল দেয় নভোএয়ারের যাত্রীবাহী বিমানটি। উড্ডয়নের পরই বিমানের চাকায় ক্রুটি ধরা পড়ে। এরপর বিমানটি রাজশাহীর কাছাকাছি গিয়েও ঝুঁকি না নিয়ে আবার ঢাকা বিমানবন্দরে ফিরে আসে। তবে সেখানেও অনেক কষ্টে বিমানবন্দরে ল্যান্ড করে যাত্রীবাহী বিমানটি।’

এ প্রসঙ্গে নভোয়ারের ডিপার্চার অ্যান্ড টিকিটিং অফিসার ফারহানা খাতুন বলেন, ‘আকাশেই যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে বিমানটি রাজশাহীতে ল্যান্ড করতে পারেনি। পরে ঢাকায় ফিরে আসে। যাত্রীরা নিরাপদে নামতে পেরেছেন।’

তবে বিমানের যাত্রীরা জানায়, উড্ডয়নের সময় থেকে শুরু করে বিমানের যে কোনো সামান্য ক্রুটিও বিমানটিকে মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস করে প্রাণহানি ঘটাতে পারে। ফলে নভোয়ারের যাত্রীরা অল্পের জন্যই প্রাণে বেঁচে গেছেন বলেই ধারণা করছেন যাত্রীরা।

নিজ দেশকে নাৎসিদের সঙ্গে তুলনা ইসরায়েলী জেনারেলের

বর্তমান ইহুদি সমাজকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছেন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান মেজর জেনারেল ইয়াইর গোলান। বার্ষিক হলোকাস্ট ডে বা ইহুদি নিধনযজ্ঞ স্মরণ দিবস পালনের প্রাক্কালে এই মন্তব্য করেন তিনি।

জেনারেল গোলান বলেন, তিরিশের দশকে নাৎসি জার্মানিতে অসহিষ্ণুতার যে ঘৃণ্য প্রকাশ ঘটেছিলো সেরকম কিছু প্রবণতা তিনি এখনকার ইসরায়েলী সমাজে দেখতে পাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের প্রকৃত স্বভাব কী- সেটা আমাদের দেখা উচিত। এমনকি সেটা যদি আমরা নিজেরাও হই তাহলেও সেটা দেখা উচিত।’

হলোকাস্টের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘যদি কোনোকিছু আমাকে ভীত-সন্ত্রস্ত করে থাকে সেটা হলো হলোকাস্টের স্মৃতি, ইউরোপে যা ঘটেছিলো, বিশেষ করে সত্তর, আশি এবং নব্বইয়ের দশকের আগের জার্মানিতে। আজকের দিনে, ২০১৬ সালে আমাদের মধ্যে সেই একই জিনিসও দেখতে পাওয়াটাও খুব ভয়ের। বিদেশিদের ঘৃণা করার চেয়ে সহজ আর কিছু নেই, যা ভয়ের জন্ম দেয়।’

এদিকে তার এই বক্তব্যের পর ইসরায়েলে তাকে ঘিরে বড় রকমের আলোচনা শুরু হয়েছে। এই মন্তব্যের জেরে তার তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অনেকে তাকে বরখাস্ত করারও দাবি জানিয়েছেন।

নেতানিয়াহু জেনারেল ইয়াইরের সমালোচনা করে বলেছেন, তার এ ধরনের বক্তব্য ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এসব কথাবার্তায় হলোকাস্টকে সস্তা করে ফেলা হয়েছে এবং এসবের মাধ্যমে ইসরায়েলের ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৮০ বছর আগে নাৎসি জার্মানিতে যা ঘটেছিলো তার সাথে তুলনা দিয়ে ইসলায়েলি সমাজের সাথে অন্যায় করা হয়েছে। তার মতে এ ধরনের বক্তব্য কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে ইসরায়েলী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালন, সামরিক প্রধান এবং আরো কিছু কর্মকর্তা জেনারেল গোলানের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তারা বলছেন, জেনারেল গোলানের এই বক্তব্যে ইসরায়েলী সমাজের বর্তমান কিছু সমস্যা উঠে এসেছে।