আধুনিক গণতান্ত্রিক ভারতের আদিম চর্চা ।|গরুর মাংস খাওয়ায় দুই মুসলমান নারীকে গণধর্ষণ

242667_1.jpeg

ভারতে গরুর মাংস খাওয়ার অজুহাতে ক্ষমতাসীন দলের পাণ্ডাদের বর্বরতা দিন দিন নতুন মাত্রা পাচ্ছে। হারিয়ানার মুসলিম অধ্যুষিত জেলা মেওয়াটে এবার গরুর মাংস খেয়েছে সন্দেহে একদল ধর্মীয় উগ্রবাদী এক নারী (২০) ও তার তার চাচাতো বোনকে গণধর্ষণ করেছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন রোববার প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।

ধর্ষণের পর তারা জানায়, এটা গরুর মাংস খাওয়ার শাস্তি। দিল্লীতে মানবাধিকার কর্মী শবনম হাসমির উপস্থিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই দুই নারী তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের বর্ননা দেন।

তারা জানান, গত ২৪ আগস্ট একদল লোক তাদের বাড়িতে ঢুকে তার চাচা-চাচিকে বেঁধে ফেলে। এরপর তাদের সামনেই দু’বোনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করতে থাকে। এ বর্বতার প্রতিবাদ করায় তার চাচা-চাচিকে পিটিয়ে হত্যা করে ধর্ষকের দল। এ ঘটনার পর ওই ধর্মীয় উগ্রবাদীদের ভয়ে মুখ খোলেননি।

mewat20160912193009পরে দিল্লীতে মানবাধিকার কর্মী শবনম হাসমির সহায়তায় সংবাদ সম্মেলনে তাদের উপর চালানো বর্বরতার বর্ননা দেন। এরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে ওই এলাকা থেকে চার বখাটেকে গ্রেফতার করেছে। পরে পুলিশ জানতে পারে আসলে তারা গো-রক্ষক কমিটির কেউ না। এলাকার চিহ্নিত পাণ্ডা তারা।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধর্ষণের দিন সকালে তারা মদ্যপান করে গোমাংস খাওয়ার মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে ওই বাড়িতে হানা দেয়। গোমাংস খাওয়া হারিয়ানায় সরকারীভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রায়ই সংখ্যালঘুদের উপর মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে ক্ষমতাসীনদের নির্যাতন করতে দেখা যায়।

হারিয়ানা রাজ্য পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নির্যাতিতারা আগে কোনো অভিযোগ না করায় এতোদিন অপরাধীদের গ্রেফতার করা যায়নি। পুলিশ প্রথমে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আরোপ করে, পরে এলাকাবসীর বিক্ষোভ মিছিল করলে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নেয়া হয়।

হারিয়ানায় গরু জবাই, মাংস বিক্রি বা সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। এ আইন ভঙ করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের সাজা এবং এক থেকে পাঁচ লাখ রুপি অর্থদণ্ড। এদিকে, কুরবানির ঈদের আগে হারিয়ানার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা মেওয়াটে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

কথিত বিরিয়ানি পুলিশদের সংগ্রহ করা ৭টি নমুনায় ল্যাবরেটারি টেস্টে গরুর মাংশের অস্তিত্ব পাওয়ায় এ আতংক দেখা দিয়েছে।

বাংলায় ভাষণ দিলেন মোদি (ভিডিওসহ)

বাংলায় ভাষণ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বেনাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ ভাষণ দেন।

নরেন্দ্র মোদি বাংলায় বলেন, বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভাইবোনেদের আমার নমস্কার, আজ থেকে আমাদের দুই দেশের মধ্যে আদান-প্রদান আরও সহজ হবে। আমরা আরও কাছাকাছি এলাম। এই শুভ অনুষ্ঠানে সকলকে জানাই অভিনন্দন।

এরপর হিন্দি ভাষায় দেয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, আপনাকে আমি আবারও এই আশ্বাস দিচ্ছি, আপনাকে সহায়তা করতে ভারত সদা-সর্বদা প্রস্তুত। এসময় নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে ও পশ্চিমবঙ্গের ভাইবোনদের অভিনন্দন জানান।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরীক্ষার সময় পুরো ভারত আপনার সঙ্গেই আছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে যেভাবে ধৈর্যের সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাতে আমি মন থেকে আপনাকে অনেক অভিনন্দন জানাই। আপনার নেতৃত্ব পুরো অঞ্চলের জন্য একটি উদাহরণস্বরূপ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজের এই লড়াইয়ে আপনি নিজেকে কখনো একা ভাববেন না, ভারতের পূর্ণ সমর্থন আপনার সাথে আছে। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এটাও আশ্বাস দিতে চাই যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আপনার এই যে লড়াই তাতে ভারত আপনাকে সব ধরনের সহায়তা দিতে সব সময় প্রস্তুত। মাননীয়, আমরা এখন এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখান শুধু আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোই এক নয়, আমাদের বিকাশের পথও একসঙ্গে জড়িত। সেইসাথে আমাদের সমান সম্ভাবনাও রয়েছে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি ভারতের বিকাশ আমাদের সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভারত ও বাংলাদেশ উভয়েই একসাথে উন্নতির পথে যাত্রা করছে। এ কারণে আজ পেট্রাপোল ও বেনাপোল বন্দরের ইন্টিগ্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন। এটা দুই দেশের সার্বিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দরজা। দুই দেশের যৌথ বাণিজ্যের ৫০ শতাংশই এই বন্দর দিয়ে হয়।’

বেনাপোল-পেট্রাপোল পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বলে উল্লেখ করেন মোদি। শুধু এখানে নয়, এর আগে আগরতলায়ও ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। মোদি বলেন, এ ছাড়া আরো আটটি এ ধরনের চেকপোস্ট তৈরি করা হবে।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমি মনে করি আর্থিক বিকাশ ও কানেক্টিভিটি একে অন্যের সাথে জড়িত। এই বন্দর শুধু বাণিজ্যকে না বরং আমাদের দুই দেশের মানুষের মধ্যেও সম্পর্কের বিকাশ ঘটাবে।’

এছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি বক্তব্য দেন।

এর আগে বক্তব্যে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দু’দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। সীমান্ত হাট, বাস সার্ভিসসহ নানা ব্যবসায়িক উদ্যোগও নিয়েছি।

ঈশ্বর-আল্লাহর নামে শপথ নিলেন মমতা

ঈশ্বর ও আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে পরিবর্তনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন শুক্রবার দুপুরে। পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর কেশরী নাথ ত্রিপাঠি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। মমতার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে যে ধারার নেতা-মন্ত্রীরা শামিল হয়েছেন তাতে দেশে বিজেপি বিরোধী জোটের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মমতার শপথ অনুষ্ঠানের নেপথ্যে সম্ভাব্য সেই জোটের মহড়াও হয়ে গেল বলে তারা মনে করছেন।
এ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,ফেডারেল ফ্রন্ট হলে ইকোনমিকালি ভাল হয়। ফেডারেল ফ্রন্টের জন্য ১০০ শতাংশ সাহায্য করবো।
রেড রোডের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং আরজেডি নেতা লালুপ্রসাদ যাদব, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শপথ নেয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় রাজ্য সচিবালয় নবান্নে প্রবেশ করেন। সেখানে তাকে কোলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। নবান্ন থেকে তাকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। নবান্নে পৌঁছানোর পরে মমতা আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ বাংলার এক ঐতিহাসিক দিন। আজ আমাদের রাজ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অতিথি এসেছেন দেশ এবং বিদেশ থেকে। তার জন্যে আমরা খুবই গর্বিত। আমি একজন সাধারণ মানুষ। সাধারণের সঙ্গে এবং সাধারণের জন্যেই কাজ করতে চাই।’
বিকেলে বসে তার দ্বিতীয় সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট৷ সেখানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী-সহ ৪২ মন্ত্রী৷ তাদের মধ্যে নতুন মুখ ১৮৷ উত্তরবঙ্গ থেকে রয়েছেন চারজন৷ কলকাতা থেকে আটজন৷ শুধুমাত্র মালদহ ছাড়া প্রতিটি জেলা থেকেই মন্ত্রিসভার প্রতিনিধি আছেন৷ তাদের সবাইকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবেন দলনেত্রী তথা সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷
প্রসঙ্গত, মমতার মন্ত্রী সভায় গত বার ৬ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রী থাকলেও এবার তা বেড়ে ৭ জনে পৌঁছেছে। এরা হলেন, রাজ্য জমিয়েতে ওলামায়ে হিন্দ প্রধান মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, ফিরহাদ হাকিম, আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানি এবং জাকির হোসেন।

‘হাসিনাকে কলকাতায় আসতেই হবে আমি তাকে সংবর্ধনা দেব’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কলকাতায় আসতেই হবে বলে জানিয়েছেন দ্বিতীয়বারের মতো শপথ নেয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে ভারতের কলকাতার রেড রোডে শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুকে এ কথা বলেন তিনি।
মমতা বলেন, শেখ হাসিনাকে কলকাতায় আসতেই হবে। তাকে আমি কলকাতায় ডেকে সংবর্ধনা দেব। এ সময় বাংলাদেশের মানুষ এবং শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার আগেই পদ্মার ইলিশ ও মিষ্টি পাঠিয়ে মমতাকে শুভেচ্ছা বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তৃণমূল নেত্রীর হাতে ইলিশ ও কলকাতার মিষ্টি তুলে দেন বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জকি আহাদ। তার সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিট কথা বলেন মমতা।
জকি আহাদ জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদ্মার ইলিশ ও মিষ্টি পেয়ে খুবই খুশি হয়েছেন। বাংলাদেশের সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে প্রতিবেশী দুই বাংলার মধ্যে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, ২০ কেজি ইলিশ মাছ উপহার দেয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে। পেটিতে করে মাছ আনা হয় কলকাতায়। উপহার প্রসঙ্গে সেদেশের শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা নিয়ে এসেছি।”
রেড রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও মন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করলো বিজেপি

দ্বিতীয় দফায় সরকার গড়ার আগেই বাম-কংগ্রেস জোটকে পিছনে ফেলে রাজ্যজুড়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করলো বিজেপি। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতাসহ রাজ্যজুড়ে পথ অবরোধ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুত্তলিকা দাহ করলে বহু বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রাজনৈতিক হিংসা দমনে রাজ্যটির তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় শপথ নেয়ার দিন রেড রোড ঘেরাওয়ের হুমকি দিয়েছে বিজেপি। আগামী ২৭ মে কোলকাতার রেড রোডে শপথ নেবেন মমতা। বিজেপি, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচনের আগে যেমন কুত্সা করেছে এখনও কুত্সা করছে বিরোধিরা। সন্ত্রাসের নাম করে কুত্সা করছে তারা। কোনও রকম সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে না। বিরোধীরা নাটক করছে কুত্সা করার জন্য।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পরে নানাভাবে বিরোধীদের উপরে আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্রে সরব হয়েছে বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোট। রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধান তিন বিরোধী দল। রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করতে সোমবার গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার হস্তক্ষেপ দাবি করেন বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস নেতারা।