🖌 তারকা জুটি তাহসান-মিথিলার বিচ্ছেদ

t-bg_309787.jpgদেশের বিনোদন জগতের অন্যতম সেরা আলোচিত তারকা জুটি তাহসান-মিথিলার মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ এক দশক সংসারের পর তারা পারস্পরিকভাবে এ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাহসান তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদের এই খবর জানান।
ইংরেজিতে লেখা পোস্টে তাহসান বলেন, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমরা যৌথভাবে ডিভোর্স নিতে যাচ্ছি। কয়েক মাস ধরে চলা আমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের চেষ্টার পর অমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- সামজিক চাপে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেয়ে আমাদের পৃথক হওয়া উত্তম।
তারকা জুটি তাহসান-মিথিলার বিচ্ছেদ

ফেসবুক ওই পোস্টের নিচে তাহসান ও মিথিলা উভয়ের নাম লেখা রয়েছে। যেটা মূলত উভয়ের একই বক্তব্য স্পষ্ট করা হয়েছে।

ওই বার্তায় আরো বলা হয়, আমরা উপলব্ধি করছি এমন সিদ্ধান্তে সম্ভবত আপনারা কষ্ট পাবেন, এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
ফেসবুকে পোস্ট করা তাহসানের বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘It is with heavy hearts that we would like to jointly announce that we are getting divorced.
After several months of trying to reconcile our differences, we have decided that we would rather go separate ways than be in a relationship out of social pressure.
We realize that this probably comes as a shock to a lot of you and we wholeheartedly apologize about that.
We have always conducted our relationship with dignity and grace, and we hope that as we consciously uncouple and co-parent, we will be able to continue in the same manner.
We hope you will all treat us both with kindness during this difficult phase of our lives.’
– Tahsan and Mithila
প্রেম করে তাহসান-মিথিলা জুটি ২০০৬ সালে বিয়ে করেন। সংসার জীবনের ১১ বছর কাটিয়ে তারা এই পৃথক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। দু’জনের এক মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে। তার নাম আইরা তাহরিম খান।
তাহসান রহমান খান বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার, গিটার বাদক, কী-বোর্ড বাদক, অভিনেতা, মডেল এবং উপস্থাপক। তার জন্ম  ১৯৭৯ সালে ১৮ অক্টোবর। বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করে দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি আইকন হিসেবে সমাদৃত।
রাফিয়াত রশিদ মিথিলার জন্ম ১৯৮৪ সালের ২৫ মে। তিনি মিথিলা নামেই বেশি পরিচিত। তিনি একাধারে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি গান শিখেছেন হিন্দোল সংগীত একাডেমিতে, নাচ শিখেছেন বেণুকা ললিতকলা একাডেমিতে। আর অভিনয় শিখেছেন লোক নাট্যদলের চিলড্রেনস থিয়েটারে। তিনিও অসংখ্য নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

🖌 এক ফ্রেমে দেশখ্যাত চার শিল্পী !

file

তখন ছিল না সেলফি, ছিল না ডি,এস,এল,আর ক্যামেরার বাড়াবাড়ি। বন্ধু আড্ডায় মাল্টিমিডিয়া সেল ফোনে নাক ডুবিয়ে কাছাকাছি থেকেও অসীম দূরত্বের বিড়ম্বনাও ছিল না অতটা। বন্ধুত্ব বলতে তখন খাঁটি বন্ধুত্বকেই বোঝাত। এই ছবিটিই তার সাক্ষ্য বহন করে। কারা এই কীর্তিমানেরা? এক এক করে বলছি। শুরু করব বাম দিক থেকে।
সংবাদের শীর্ষে ব্যবহৃত ছবিটির একেবারে বাম পাশে যিনি রয়েছেন, তিনি দেশীয় পপ সঙ্গীত মাতিয়ে রেখেছেন বহুদিন ধরেই। ‘ও সখিনা গেছোস কিনা ভুইলা আমারে’ গানটি শুনেছেন নিশ্চয়ই? তবে তো ইতোমধ্যেই জেনে গিয়েছেন, তিনি আর কেউ নয়, ফকির আলমগীর।
তারপর কালো শার্ট পরিহত ব্যক্তিটি কে? অনুমান করুন। একটু সুবিধা করে দিই। ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’ কিংবা ‘হায় রে মানুষ রঙিন ফানুশ’- এ দুটি কালজয়ী গান ঝরেছে তার কণ্ঠ থেকেই। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, তিনি আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের গৌরব ‘এন্ড্রু কিশোর’।
তার পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন তিনি-‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘সূর্যোদয়েও তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘কী জাদু করিলা পিরিতি শিখাইলা’ সহ আরও অনেক উল্লেখযোগ্য গানের রচয়িতা- ‘গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির’।
সর্ব ডানের ব্যক্তির নাম ‘ফিরোজ সাঁই’। ‘এক সেকেন্ডের নাই ভরসা’ গানটি তাঁরই গাওয়া। এছাড়াও ‘ইস্কুল খুইলাছে রে মওলা, ইস্কুল খুইলাছে’গানটিও তারই গাওয়া। ১৯৯৫ সালের ১২ জানুয়ারি শিল্পকলা একাডেমী আয়োজিত একটি গানের অনুষ্ঠানে ‘এক সেকেন্ডের নাই ভরসা’ গানটি গাওয়ার সময় মৃত্যুবরণ করেন ফিরোজ সাঁই।
উল্লেখ্য, সত্তর দশকে সম্মিলিত ভাবে তোলা এই চারজন গুণী শিল্পীর ছবিটি ফেসবুকের- ‘বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য কিছু ফটোগ্রাফের কালেকশন’নামক পেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ছবিটি ইতোমধ্যে ১৮৬৪ বার শেয়ার হয়েছে ফেসবুকে।

🖌 অবশেষে ইউটিউবে শীর্ষস্থান হারাল ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ও !

image-89749-1500007624.jpg২০১২ সালে একটি ভিডিওর দৌলতে কোমর দুলিয়েছিলো সারা বিশ্ব। দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক সাই-এর গাওয়া ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ বুঁদ হয়েছিলো সারা দুনিয়া। প্রায় ২৮৯ কোটি ৮৬ লাখ বার দেখা হয়েছিলো সেই ভিডিওটি। ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ই প্রথম গান, যা ইউটিউব ইতিহাসে ১০০ কোটি ভিউয়ারের মাইলস্টোন পেরিয়েছিলো।তবে চমকপ্রদ তথ্য হলো- এবার অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করলো উইজ খলিফার গাওয়া ‘সি ইউ এগেইন’। ‘গ্যাংনাম স্টাইল’-এর রেকর্ড ভেঙে ২৯১ কোটি ৩০ লাখের চৌকাঠ পেরিয়েছে আমেরিকান র‌্যাপার উইজ খলিফার গাওয়া এই গান। মিউজিক ভিডিওটিতে আরও কণ্ঠ দিয়েছেন গায়ক চার্লি পুথ।

২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশন ছবি ‘ফিউরিয়াস ৭’-এ ব্যবহার করা হয়েছিলো গানটি। ২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত জনপ্রিয় অভিনেতা পল ওয়াকারের স্মরণে রেকর্ড করা হয়েছিলো ‘সি ইউ এগেইন’।মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন মার্ক ক্লাসফেল্ড। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছিলো ভিডিওটি। ‘সি ইউ এগেইন’-এর পর ইউটিউবে ভাইরাল ভিডিওগুলোর মধ্যে রয়েছে জাস্টিন বিবারের ‘সরি’, মার্ক রনসনের ‘আপটাউন ফাঙ্ক’, লুইস ফনসোই ও ড্যাডি ইয়ানকি’স-এর ‘ডেসপাসিটো’। তথ্যসূত্র : সিএনএন।

 

Join the Conversations on this Content here – 

KIIS FM's 2012 Jingle Ball - Night 2 - Show
Click/Tap this image to Join the Conversations

🖌 শ্যুটিং সেটে বানসালিকে থাপ্পড় [ভিডিও]

bansali_37936_1485578673.jpgইতিহাস ‘বিকৃতি’র অভিযোগে শ্যুটিং সেটেই লাঞ্ছিত হয়েছেন বিখ্যাত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি।

সম্প্রতি জয়পুরের জয়গড় দুর্গে বানসালির নতুন ছবি ‘পদ্মাবতীর’ শ্যুটিং সেটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, চিতোরের রানি পদ্মিনীর জীবন কাহিনী নিয়ে নতুন সিনেমা ‘পদ্মাবতী’ নির্মাণ করছেন বানসালি। জয়গড় দুর্গে সিনেমাটির শ্যুটিং চলাকালে ‘রাজপুত কর্ণী সেনা’ নামে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা হামলা চালান। তারা সেটে ঢুকে পড়ে চড়াও হন পরিচালকের ওপর।

ইউনিটের কলাকুশলীরা বুঝে ওঠার আগেই কর্নী সেনারা তাণ্ডব শুরু করেন। তাদের হাতে চড়-থাপ্পড় খেয়ে পড়ে যান পরিচালক। তার চুল ধরেও টানা হয়।

পরে কোনোক্রমে বানসালিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলে দুষ্কৃতিকারীরা সেটের দামি যন্ত্রপাতি ভাংচুর করে।

কর্নী সেনাদের অভিযোগ, সিনেমায় রানি পদ্মিনীকে ‘খারাপভাবে’ উপস্থাপন করা হচ্ছে। সিনেমায় তার চরিত্রকে নোংরাভাবে উপস্থাপন করে রাজস্থানের ‘অসম্মান’ করা হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, যে আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে বাঁচাতে জহর ব্রত করেছিলেন রানি পদ্মিনী, সিনেমায় সেই আলাউদ্দিনের সঙ্গেই ছবির ‘পদ্মাবতী’র ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত দেখানোর কাজ চলছে।

তবে এই দাবি সত্যি কি না, তার কোনো প্রমাণ মেলেনি।

এর আগে ‘জোধা আকবর’-এর শ্যুটিংয়ের সময়েও বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তারা।

চিতোরের রানি পদ্মিনীর জীবন অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে ‘পদ্মাবতী’। এতে রানি পদ্মিনীর চরিত্রে দীপিকা পাড়ুকোন, আলাউদ্দিন খিলজির চরিত্রে রণবীর সিংহ ও রাজা রত্নসেনের ভূমিকায় শহিদ কাপুর অভিনয় করছেন।

🖌 রিট খারিজ | স্টার প্লাস-জলসা ও জি বাংলা প্রদর্শনে বাধা নেই

image-61343-1485674910.jpgভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার প্লাস, স্টার জলসা ও জি বাংলা বন্ধ চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে বাংলাদেশে এ তিনটি চ্যানেল প্রদর্শনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ রোববার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করেন।

রিটকারী আইনজীবী এখলাসউদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গত ২৫ জানুয়ারি রিটটি পঞ্চম দিনের মতো শুনানি শেষ হয়। আজ ২৯ জানুয়ারি এ রিটের রায় ঘোষণা করা হয়।

২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে ভারতীয় এই তিন টিভি চ্যানেল বন্ধে নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

ওই সময় বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুলে তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়।

এর আগে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহীন আরা লাইলি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন। এতে ভারতীয় সব চ্যানেল বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়।