ক্যাটওয়াকে সব মডেলই হিজাবী!

model-hijab_25144_1474032008ফ্যাশন শো’র ক্যাটওয়াকে হিজাব। আবার সব মডেলই যদি হয় হিজাব পরিহিত তাহলে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়ায়?

নিউ ইয়র্ক ফ্যাশন উইক শো-তে প্রথমবারের মতো হিজাব পরে ক্যাটওয়াকে অংশ নিয়েছেন মডেলরা।

মুসলিম ডিজাইনার আনিসা হাসিবুয়ান্সের করা ডিজাইনে তারা পোশাক পরে ক্যাটওয়াকে অংশ নেন। এতো বড় অনুষ্ঠানে তিনি প্রথমবারের মতো ইন্দোনেশিয়াকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

হাসিবুয়ান্সের ডিজাইন করা পোশাক এমন সময় প্রদর্শিত হলো, যখন মুসলিম নারীরা তাদের পছন্দমতো পোশাক পরিধানে তীব্র বাধার সম্মুখিন হচ্ছেন। সৃষ্টি হচ্ছে বিতর্কের।

এমন পরিস্থিতিতে এই পোশাক প্রদর্শনী হিজাবকে মেইনস্ট্রিমের পোশাকে পরিণত হতে সহায়তা করবে বলেই আয়োজকদের ধারণা।

অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত পোশাকে হাসিবুয়ান্সের হোমটাউন জাকার্তার মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্রের বেশ প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। ডিজাইন করা পোশাকগুলো ছিল বেশ ঢিলেঢালা।

মডেলরা বিশেষ ডিজাইন ও ভালো মানের কাপড়ে তৈরি ঢিলে পায়জামা ও জামা পরে ক্যাটওয়াকে অংশ নেন যার সবগুলোই হিজাবের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়।

সপ্তাহখানেক আগে অনুষ্ঠিত এ ফ্যাশন শো শেষে সমালোচকদের বেশ প্রশংসা কুড়ান ৩০ বছর বয়সী ডিজাইনার হাসিবুয়ান্স।

শো শেষে এক ইনস্টাগ্রাম বার্তায় হাসিবুয়ান্স বলেন, পোশাক প্রদর্শনীটি সফলভাবে শেষ করতে পারায় সবার কাছে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে একটি শক্তিশালী দলের কাছে কৃতজ্ঞ, যাদের টিমওয়ার্কে প্রতিকূল সময়ের বিপরীতেও আমরা শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পেরেছি।

মুসলিম নারীদের জন্য বিকিনি’র বদলে বুরকিনি

বিকিনি মানেই টু-পিস। বিকিনি মানেই খোলামেলা। বিকিনি মানেই শরীরের অবাধ দর্শন। সারা বিশ্বের চলচ্চিত্র দুনিয়ায় বিকিনির ব্যবহার অবাধ। শুধু তাই নয়, অনেক দেশেই বিকিনির অবাধ ব্যবহার চোখে পড়ে।

বিকিনির বিভিন্ন ধরনের মধ্যে দ্য মনকিনি, দ্য মাইক্রোকিনি, দ্য ত্রিকিনি, দ্য বন্দিনী, দ্য স্ট্রিং বিকিনি, দ্য স্কার্টিনি, দ্য স্লিং বিকিনি। এর সবগুলোতেই শরীরের বেশিরভাগ অংশ দেখা যাবে।

তবে এমনও বিকিনি আছে, যা পরলে শরীরের কোনও অংশই দেখা যাবে না। কি নাম এই বিকিনির? বুরকিনি।

মুসলিম নারীদের জন্য এই বিকিনি তৈরি করা হয়েছে। বলা যায় শরীর ঢাকা বিকিনি। বিশেষ করে যারা ‘মুসলিম সুইমার’,  তাদের জন্যই এই বিকিনি সবথেকে বেশি প্রচলিত।

🖌 বারকোড ক্যাফে: টিপিক্যাল ট্রেন্ডি রেস্টুরেন্ট নয় যেন কমপ্লিট লাইফস্টাইল কোড

barcode1-1বারকোড ক্যাফের দেয়ালে দেয়ালে সেঁটে দেওয়া আছে এপিজে আবদুল কালাম, কফি আনান থেকে শুরু করে মার্ক জাকার্বার্গের অনুপ্রেরণামূলক উক্তি, ‘Think Big Dream Big’, ‘Ego=1/Knowledge’ সহ আরো কত যত! যেগুলোর প্রত্যেকটির রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ক্যামিস্ট্রি যা এই ক্যাফেটিকে দিয়েছে অনন্য এক ভিন্ন মাত্রা যা আবার অন্যান্য টিপিক্যাল ট্রেন্ডি রেস্টুরেন্ট থেকে বারকোড ক্যাফেকে দিয়েছে এর নামের মতই একটি অনন্য কোড। কফিতে চুমুক দেওয়ার ফাঁকে ফাঁকে দেহ যেমন সতেজ হয়ে উঠে তেমনি মনের বীণায় চনমনে একেকটি টিউন তুলে দেয়ালের এই উক্তি ও অনুপ্রেরণাগুলো। চট্টগ্রামের ব্যতিক্রমী, ট্রেন্ডি এই স্টার্টআপের পেছনের মানুষটিও এতদিনে আর পেছনে নাই, সামনে চলে এসেছেন সকলের প্রিয় মঞ্জু ভাই। পুরো নাম মঞ্জুরুল হক যিনি আবার এন মোহাম্মদ গ্রুপের এমডি পদেও দায়িত্বরত রয়েছেন।  সদা স্মিতহাস্য এই উদ্যোক্তা চট্টগ্রামী বাংলার সাথে শেয়ার করলেন তাঁর শুরুর গল্পগুলো। গল্পগুলো বলা হল কেননা গল্প শুধু এক বারকোড ক্যাফের নয় বরং গল্পে গল্পে জানা গেল অনেক কোডের গল্প, যেমন ধরুন সম্প্রতি লঞ্চ করা বারকোড অন ফায়ারের গল্প। এটি দিয়ে শুরু করি কারণ এর পেছনে রয়েছে ট্র্যাজেডি, দুঃখ, হতাশা, আশা, জেদ ও আরো অনেক কিছু। দুঃখের গল্পটা আগে বলা যে ভদ্রজনের এটিকেট, সেটা তো আমাদের পাঠককুল নিশ্চয় অবগত। আগে বলার কারণটাও তো চমৎকার যাতে শেষের সুখের গল্পটা আগের কষ্টেরটাকে ভুলিয়ে দেয়, তাই না?

যাই হোক মঞ্জু ভাই জানাচ্ছিলেন বারকোড অন ফায়ারের গল্পটা, তিনি বলেন বারকোড ক্যাফে দিয়ে শুরুটা তাঁর বেশ ভালভাবে হয়েছিল এবং ভোক্তা সমাজও অল্প সময়েই বারকোড ক্যাফেকে ভালবেসে ফেলেন। তাই দ্বিতীয় ব্রাঞ্চটি আরো বড় পরিসরে করার জন্য বারকোড অন ফায়ার এখন যে জায়গাটিতে আছে উহা বেছে নেন এবং অহর্নিশ পরিশ্রম করে দাঁড় করিয়ে ফেলেন নতুন ব্রাঞ্চ, শুধু লঞ্চ করা বাকী, কিন্তু বিঁধি বাম, মাত্র একদিন আগে একরাতেই চোখের সামনে জলে-পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেল মঞ্জু ভাইয়ের দ্বিতীয় স্বপ্ন- শ্রমের সৌধটি। একটা ভারী অভিঘাত! কিন্তু এটা মঞ্জু ভাইয়ের উদ্যোম ও অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করার মতো ভারী ছিলনা, তাই নতুন উদ্যোমেরই তো ফল এখনকার এই বারকোড অন ফায়ার। স্বাভাবিকভাবেই এই নামকরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাই প্রশ্নটা করেই ফেললাম, কিন্তু নাহ! রহস্যপ্রিয় ভদ্রলোক মঞ্জু ভাই সেদিকে গেলেন না তবে অনেকের মত আমরাও আন্দাজ করে নিতে পারি এখানে মঞ্জু ভাইয়ের বিস্ময়কর স্টেমিনা ও হাল না ছাড়ার জেদী চরিত্রটি। কতটা জেদী আর পুনঃসৃজনের দুর্দম্য ইচ্ছা থাকলেই এমন নামকরণ করা যায়, এই নামকরণের মাধ্যমে যেন আগুণকেই মেসেজ দিয়ে দেওয়া হল এইবার তো আমি তোমার উপরেই বানিয়েছি, এখন কিভাবে পোড়াবে? অবশ্য এই মতটা যারা বেশী ইন্টেলেকচুয়েল তাদেরই আন্দাজ আর সাধারনের আন্দাজ হল মঞ্জু ভাই দুঃখ পেয়েছেন তাই আগুনের স্মৃতিটা মনে রাখতেই নাকি এই নামকরণ।

বারকোড অন ফায়ারের আগে মেহেদিবাগে বারকোড ক্যাফে সি ফুড নামেও একটি সিস্টার স্টার্টআপ মঞ্জু ভাই শুরুর দিকেই চালু করেছিলেন, সেটিও ছিল দৃশ্যতই নান্দনিক ও অনন্য, কিন্তু কী কারণে যেন ওটা শুরুর অল্প সময় পরেই বন্ধ রাখা হয়। বরং মেহেদিবাগে বাগে চালু করা হল বার্গওয়িচ টাওন নামে বিশেষ বার্গার ও স্যান্ডওয়িচ বার। আবার ওদিকে দ্রুততার সহিত চালু করা হয় বারকোড ক্যাফের দুটো ক্যাম্পাস অ্যাডজাসেন্ট যার একটি এশিয়ান ওয়িমেন ইউনিভার্সিটিতে ও অপরটি চিটাগাং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে। কী? দেখলেন তো মঞ্জু ভাইয়ের স্টেমিনা, … আচ্ছা থাক, এরিমধ্যে মঞ্জু ভাই বিগত রমজানে লঞ্চ করে ফেলেন বারকোড ক্যাফে জিইসি। ওদিকে বারকোড অন ফায়ারের কাজও কিন্তু থেমে ছিলনা। বাহ বাহ ! আরো আছে কিন্তু, বারকোড ক্যাফে নিয়ে যা কিছু হচ্ছে সবই চট্টগ্রামে, তাই ঢাকার বন্ধুরা নাকি অভিমান করে বসে ছিল, তো মঞ্জু ভাই সেই অভিমানও ভেঙ্গে দিয়েছেন অতি সম্প্রতি বারকোড ক্যাফে গুলশান চালু করে, এইটার এলাহী ও পশ গল্প এইখানে আর সম্ভব না অন্যদিন অন্যখানে হবে।

সাদা পোশাকে স্বস্তি

গরমে স্বস্তিদায়ক পোশাক হিসেবে সাদার কোনো বিকল্প নেই। সাদা পোশাক পরলে ঘামের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার শংকা থাকে না। তারা চর্ম, এলার্জি এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের সবসময় সাদা পোশাক পরা উচিত। সাদা পোশাককে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড ও চর্মের সংরক্ষকও বলা চলে।

ফ্যাশন হাউস বিবিয়ানার লিপি খন্দকার বলেন, রোদটা সাদা পোশাকে প্রতিফলিত হয়। এজন্য গরমে সাদা রঙটাই সবার জন্য প্রহণযোগ্য। উত্তপ্ত আবহাওয়ায় হালকা রঙ এবং কম অলংকৃত পোশাক এনে দেয় প্রশান্তি।

সাদার শুভ্রতা শুধু আপনাকেই নয়, মানসিকভাবে শান্তি এনে দেয় অন্যদেরও। শুধু সালোয়ার-কামিজেই নয়, শাড়ি, স্কার্ট, টপস সবক্ষেত্রেই সাদার জয়জয়কার। সাদা রঙটির ওপরই নকশাগুলো সুন্দর ফুটে উঠে বিভিন্ন অলংকরণে। শুভ্রতা এবং স্নিগ্ধতা তো আছেই।

কেমন হবে পোশাক

পোশাক হিসেবে সাদা রঙ শুধু তাপ শোষণ থেকেই বিরত রাখে না; বরং চোখের জন্যও এনে দেয় অন্যরকম স্বস্তি। এ সময় তাই মেয়েদের পোশাকের ক্ষেত্রে সাদা শাড়ি, ফতুয়া কিংবা সালোয়ার-কামিজ অনেক বেশি জনপ্রিয়।

কাপড়ের ধরন হিসেবে সাদা সুতি কাপড় অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পায়। তবে বৈচিত্র্য আনতে সুতির পাশাপাশি শিফন, কটন কোটা কিংবা টাঙ্গাইলের সুতির শাড়িও বেছে নিতে পারেন।

কামিজের সঙ্গে চুড়িদারের চেয়ে সালোয়ারই গরমে বেশি আরামদায়ক। যারা শাড়ি পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাদের কাছে এ গরমে সাদা সুতির পাশাপাশি সিল্ক, জর্জেট, লেস ইত্যাদি শাড়িও কম জনপ্রিয় নয়।

কোথায় পাবেন

গজ কাপড়ের বড় মার্কেটগুলোর মধ্যে আছে নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনীচক, ইসলামপুর ও মৌচাক। গজ কাপড় কেনার ক্ষেত্রে বহরটা জেনে নিতে হবে।

এমব্রয়ডারি করা সুতি কাপড়, লেইস লাগানো সুতি কাপড়, চিকেন কাপড়, নানা রকম প্রিন্টেড কাপড় দিয়েও তৈরি করিয়ে নিতে পারেন পোশাকটি।

ডিজাইনভেদে এমব্রয়ডারি করা সুতি কাপড় ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা, লেসসহ সুতি কাপড় ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, চিকেন কাপড় ৬৮০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।