🖌 বিশ্বের যত রংচংয়ে ও বৈচিত্র্যপূর্ণ চায়না টাউন

150742Chinatown-main.jpgপর্যটকরা যেখানেই যান না কেন, তাদের কাছে বড় আকর্ষণ হয়ে থাকে সেখানকার চায়না টাউন। সেখানে শুধু রং আর বৈচিত্র্যের ছড়াছড়ি। এখানে ভ্রমণকারীরা জেনে নিন বিশ্বের সবচেয়ে রংচংয়ে  কয়েকটি চায়না টাউনের খবর।

সিঙ্গাপুর 
দেশটির চায়না টাউনে চীনারা প্রথম বসতি স্থাপন করে। এখন এটা ব্যাপকভাবে পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাবে ছেয়ে গেছে। তবে ঐতিহ্য ভুলে যাননি তার। এখানে রয়েছে চাইনিজদের সেই প্রথম দিককার কিছু প্রতিষ্ঠান, ঐতিহ্যে পূর্ণ স্থাপনা, ফুড স্ট্রিট, রাতের বাজার আর সংস্কৃতির বৈচিত্র্য। এখানকার কিছু অংশ সিঙ্গাপুরের জাতীয় ঐতিহ্য হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। আধুনিক শহরে প্রাচীনের বসতি মিলিয়ে অসাধারণ এক স্থান।

মেলবোর্ন 
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের চায়না টাউনটি কিন্তু বিশ্বের প্রাচীনতম চায়না টাউন। ভিক্টোরিয়ার গোল্ড রাশের সময়কার শহর এটি। সেই ১৮৫৪ সালের দিকে গড়ে ওঠে। এখানেই দেখতে পাবেন বিশ্বের দীর্ঘতম ড্রাগন মিলেনিয়াম দাই লুং ড্রাগন। এটি ১০০ মিটার লম্বা। চাইনিজ নিউ ইয়ার প্যারেডে ড্রাগনটিকে জীবন্ত করে তোলেন ২০০ জন মানুষ।

কুয়ালা লামপুর

মালয়েশিয়ার রাজধানীতে রয়েছে আরেকটি নজরকাড়া চায়না টাউন। এখানে মূল্যবান খনিজ সম্পদের খোঁজে যে চাইনিজরা এসেছিলেন তারা ১৮৫০ সালের দিকে এই টাউন গড়ে তোলেন। তারাই বনের বসতি থেকে স্থানটিকে টিনের খনিজ শিল্পাঞ্চলে পরিণত করে। ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মূল অংশ তারাই। মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে তাদের অবদান অসামান্য। স্থানীয়ভাবে চায়না টাউনটি পেতালিং স্ট্রিট বা জালান পেতালিং নামে পরিচিত। রাতের বাজার, খাবার আর রংচংয়ে দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত এক স্থান।

টরেন্টো 
কানাডার টরেন্টোতে রয়েছে এই চায়না টাউন। চাইনিজদের জন্য রয়েছে এখানে ৭টি চায়না টাউন। ১৯৬০ এর দিকে মূল চায়না টাউন গড়ে তোলা হয় এখানে। পরে এই শহরটি বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে যায়। ১৯৮০ এর দিকে গ্রেটার টরেন্টো অঞ্চলের চাইনিজরা স্কারবোরো, মিসিসাউগা, রিচমন্ড হিল, মারখাম আর নর্থ ইয়র্কে ছড়িয়ে পড়েন। প্রতিটি টাউন তার আপন বৈশিষ্ট্যে অনন্য।

নিউ ইয়র্ক 

আমেরিকার এই চায়না টাউনটি গড়ে তোলেন ম্যানহাটান লোয়ার ইস্ট সাইড থেকে আসা চাইনিজরা। ১৯ শো শতকের শেষের দিকে তারা আসতে শুরু করেন। ১৯৮০ সালের দিকে এটি হয়ে ওঠে এশিয়ার বাইরের বৃহত্তম চায়না টাউন। এলমহার্স্ট আর কুইন্সেও ছড়িয়ে পড়তে থাকে চাইনিজদের শহর। এভিনিউ ইউ এবং ব্রুকলিনের এইটথ এভিনিউ হয়ে ক্রমবর্ধমান চায়না টাউন কিন্তু ম্যানহাটানের প্রায় সমান হয়ে গেছে।

Join the Conversations on this Content here – 

Chinatown3

Click/Tap this image to Join the Conversations

Advertisements