বদলে যাচ্ছে সৌদি আরব


সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে কিছু তাত্পর্যপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। আগামী বছরের শুরু থেকেই জনসাধারণকে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার অনুমতি দেওয়া হবে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের কর্তৃ্পক্ষ জানিয়েছে। ২০১৮ সালের মার্চের মধ্যেই প্রথম সিনেমা মুক্তি পাবে।

১৯৮০’র দশকের শুরুর দিকে ধর্মীয়ভাবে কঠোর রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরবে সিনেমা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পর এই প্রথম তা আবার চালু হচ্ছে অর্থাৎ সিনেমার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

২০১৮ সালের জুন থেকে সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালাতে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর নারীদের স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। সম্প্রতি দেশটির একটি স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো নারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের এপ্রিলে সৌদি সরকার বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনা অনুমোদন করে। ‘ভিশন ২০৩০’ নামের এই মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য দেশটির তেলনির্ভর অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা। তেলের রাজস্বের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো। তেলের বাইরে অন্য খাতে ভালো কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সৌদি আরব প্রথমবারের মতো দেশটির নারীদের প্রার্থী ও ভোটার হওয়ার সুযোগ করে দেয়। সৌদি আরবের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে সাড়ে ২৬ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি শহরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, নাম নিওম। শহরটি সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে কিছু প্রমোশনাল ভিডিও প্রকাশ করে সৌদি আরব। ভিডিওতে হিজাবহীন নারীদের দেখা যাচ্ছে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজে অংশ নিতে।

রেড সি’তে পর্যটকদের জন্য বিলাসবহুল আবাসনের ব্যবস্থা হচ্ছে, যার অর্থ নারীরা সেখানে বিকিনি পরতে পারবেন, উন্মুক্ত থাকবে বার৷ ২০১৭ সালেই প্রথমবারের মতো রাজধানী রিয়াদের একটি বড় রেস্টুরেন্টে প্রধান শেফ হিসেবে নিয়োগ পান এক নারী।

Advertisements

#%f0%9f%92%96%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-top-20%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f, #%f0%9f%92%96%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-global%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

বান্দরবান মুক্ত দিবস আজ


আজ ১৪ ডিসেম্বর বান্দরবান মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বান্দরবান হানাদার মুক্ত হয়। বান্দরবানে লম্বাঘোনা, ক্যাচিংঘাটা, ডলুপাড়া ও ক্যানাইজু পাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এছাড়া বান্দরবানের রুমা ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অস্ত্রাগারও লুট হয় এসময়। তবে এখানে বড় ধরনের কোনও যুদ্ধের ইতিহাস না থাকলেও অসংখ্য পাহাড়ি-বাঙালির দামাল ছেলেরা এখানকার ছোটখাট যুদ্ধে অংশগ্রহণ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও স্বাধীনতাযুদ্ধে যোগ দেয়। দূর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়া সত্বেও রাজাকার, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পায়নি এখানকার অনেক নিরীহ পাহাড়ি-বাঙালি।

বান্দরবানের মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর বান্দরবান হানাদার মুক্ত হয়। একটি গ্রুপ নিয়ে আমরা যুদ্ধ করে চট্টগ্রামের চন্দনাইশের ধোপাছড়ি থেকে বান্দরবান পর্যন্ত হানাদারমুক্ত করি। এ সময় আমাদের ভয়ে হানাদার বাহিনীরা যে যেভাবে পারে এখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এরপর আমরা তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাতাকা উত্তোলন করি। তবে বান্দরবানে তেমন বড় কোনও যুদ্ধ হয়নি।

মুক্তিযোদ্ধারা আরও বলেন, বান্দরবানের কানাইজ্যু পাড়ার একটি প্রত্যন্ত এলাকায় শহীদ সুবেদার মেজর টিএম আলী শায়িত আছেন। তিনি ৮বেঙ্গলের সুবেদার মেজর ছিলেন। আমরা ওনার সঙ্গেও একসঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধ করেছি। এখনও প্রতিবছর আমরা স্বাধীনতা এবং বিজয় দিবসের দিনে তার কবরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

তারা বলেন, ‘সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হলেও বান্দরবানের রাজাকাররা রয়েছে রাজারহালে। অনেক রাজাকারই তাদের অপকর্ম ঢাকতে ক্ষমতাশীন দলে প্রবেশ করে নেতা সেজে রয়েছে। আবার অনেক রাজাকারের সন্তান রয়েছেন বান্দরবানের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মূল নেতৃত্বে। বান্দরবানের পাকিস্তানি বাহিনীর দোষররা এতই প্রভাবশালী যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাতো দূরের কথা, সেই রাজাকারদের বিরুদ্ধে কথা বলারও সাহস পায় না কেউ।
মুক্তিযোদ্ধা ক্যপ্টেন (অব.) তারু মিয়া বলেন, ‘আমরা অবশ্যই স্বাধীন হওয়ার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম। দেশ ওভাবেই স্বাধীন হয়েছে। ১৯৭৫ সালে আমরা কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম। আমাদের মনের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম হল। আমরা দেশকে রাজাকারের হাতে তুলে দেবার জন্যতো যুদ্ধ করিনি। কিন্তু এভাবে চলতে চলতেই একদিন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসলো। আমরা পুনরায় আশার আলো দেখলাম। যুদ্ধের পরতো আমাদের কোনও মূল্যেই ছিল না, ছিল শুধু মুখে। আমাদেরকে বলা হতো আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, কিন্তু বাস্তবে তা ছিল না। মাত্র ২০০ টাকা ভাতা দিয়ে আমাদের চলতে হতো। কিন্তু আজ আমরা খুশি। বর্তমানে আমরা যে ভাতা পাচ্ছি তা দিয়ে আমাদের সংসার ভালোভাবে চলছে।’

বান্দরবান সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিকুর রহমান বলেন, ‘১৩ই ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর সঙ্গে আমাদের ব্যাপক গোলাগুলি হয়। তারা আমাদের সঙ্গে টিকে থাকতে না পেরে এক পর্যায়ে পিঁছু হটতে শুরু করে। এরপর ১৪ই ডিসেম্বর আমরা বান্দরবানকে মুক্ত করতে সক্ষম হই।’

#%f0%9f%92%96%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%a8-banglatribune-com%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

“মেয়েদের অনেক গুণের মধ্যে বড় গুণ হলো এরা…

“মেয়েদের অনেক গুণের মধ্যে বড় গুণ হলো এরা খুব সুন্দর করে চিঠি লিখতে পারে। কথাবার্তায় নিতান্ত এলোমেলো মেয়েও চিঠি লেখায় গোছানো। মেয়েদের চিঠিতে আরেকটা ব্যাপার থাকে – বিষাদময়তা। নিতান্ত আনন্দের সংবাদ দিয়ে লেখা চিঠির মধ্যেও তারা জানি কী করে সামান্য হলেও দুঃখ মিশিয়ে দেয়। কাজটা যে তারা ইচ্ছা করে করে তা না। প্রকৃতি তাদের চরিত্রে যে বিষাদময়তা দিয়ে রেখেছে তাই হয়তো চিঠিতে উঠে আসে।”

Humayun Ahmed

#%f0%9f%92%96quotes%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

“যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ অবহেলা…

“যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চায় যে সব ঠিক হয়ে যাক । কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়। আর অনেকদিন পরে সে আগের চেয়েও অনেকবেশী খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারো অবহেলায় সত্যিই কিছু আসে যায় না।”

Humayun Ahmed

#%f0%9f%92%96quotes%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

Love is Blind

Love is Blind

love

আগামী সংসদ নির্বাচনে মূল ফ্যাক্টর তরুণরাই

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল ফ্যাক্টর হবে দেশের তরুণ ভোটাররা। নবম সংসদ নির্বাচন থেকে এ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়া ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি তরুণ ভোটারের হাতেই আগামী দিনের ক্ষমতার চাবি বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

তারা বলছেন— নবম সংসদ থেকে এ পর্যন্ত যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারাই আগামী দিনে ‘দেশের নেতৃত্ব নির্বাচনে’ মূল ভূমিকা পালন করবেন। তরুণরা আগামীর বাংলাদেশ কেমন দেখতে চান, সেই অনুযায়ী নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

বিগত বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনের ভোটের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়— দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভোট পেয়েছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৮ ভোট (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৩ আসন ছাড়া)। জাতীয় পার্টি পেয়েছিল ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৭২৭ ভোট। আর নবম সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৯ ভোট।

আর বিএনপি পেয়েছিল ২ কোটি ২৭ লাখ ৫৭ হাজার ১০০ ভোট। আর অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছিল ২ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ ভোট। আর আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ২ কোটি ২৩ লাখ ৬৫ হাজার ৫১৬ ভোট। সেই হিসাবে নবম থেকে এ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়া ২ কোটি ৩৫ লাখ ১২ হাজার ৯৯৭ জন তরুণ ভোটার ক্ষমতায় যাওয়ার ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে।

এক্ষেত্রে যারা যত তরুণ ভোট টানতে পারবেন আগামীতে তারাই ক্ষমতায় যাবেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে একাদশ সংসদ নির্বাচন করার জন্য অক্টোবরে চূড়ান্ত করা হবে ভোটের দিনক্ষণ। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে হতে পারে তফসিল। আগামী বছর ৩০ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা।

ভোটার হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নবম সংসদ নির্বাচন থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে মোটে ভোটার হবে (সম্ভাব্য) প্রায় ১০ কোটি ৪৬ লাখের বেশি। সে হিসাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের দুই আমলে নতুন ভোটার হচ্ছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ১২ হাজার ৯৯৭ জন।

এর মধ্যে ২৭ বছর বয়সের ভোটার রয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৮৪ হাজার ১৪৬ জন। আর ২১/২২ বছরের ভোটার রয়েছে ৮০ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৩ জন। আর একেবারে নতুন তথা ১৮ বছর বয়সী ভোটার হচ্ছে ৪৬ লাখের মতো। তবে আগামী ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেশের ভোটারের চূড়ান্ত সংখ্যা পাওয়া যাবে।

একাদশ সংসদে ভোটার সংখ্যা : চলতি বছরের হালনাগাদে রেকর্ডসংখ্যক মৃত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। হালনাগাদে বাদ দেওয়ার জন্য ১৫ লাখ ২৭ হাজারের বেশি মৃত নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা চালুর পর হালনাগাদে মৃত ভোটারের সংখ্যার দিক দিয়ে এটা রেকর্ড।

২০১৫ সালে সর্বোচ্চ ৭ লাখ মৃত ভোটারের তথ্য সংগ্রহ হয়েছিল। দেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার বিপরীতে বার্ষিক মৃত্যু হার বিবেচনায় ভোটার তালিকা থেকে ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যক্তির তথ্য বাদ পড়ার কথা। স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরুর পর মৃত ভোটার শনাক্তে নানা উদ্যোগের ফলে এ সংখ্যা এবার বেড়েছে বলে ইসি কর্মকর্তারা মনে করছেন।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, হালনাগাদে ৩৩ লাখ ২৮ হাজার ৭০৯ জন নতুন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৮৭ হাজারেরও বেশি নারী ভোটার; আর পুরুষ ভোটার রয়েছে ১৬ লাখ ৪১ হাজারের বেশি। এবার ৩৩ লাখের বেশি ভোটার নিবন্ধিত হলেও জানুয়ারিতে নতুন প্রায় ৪৩ লাখ ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে বলে জানান ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, হালনাগাদে নিবন্ধিত ৩৩ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি নাগরিকের বাইরে ২০১৫ সালে ১৫ বছর বয়সী ৯ লাখ ৬২ হাজার নাগরিকের তথ্য নেওয়া হয়েছিল; তারা আগামী ১ জানুয়ারি ভোটার তালিকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন।

হালনাগাদের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃত ভোটারদের নাম বিদ্যমান তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। ১৮ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকার জন্য মুদ্রণ কাজে সরবরাহ করা হবে। ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি ও নিষ্পত্তি শেষে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

সচিব জানান, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হচ্ছে তাদের ভোটার করা হয়েছে হালনাগাদে। দেশে বর্তমানে ১০ কোটি ১৮ লাখের মতো ভোটার রয়েছে, বাদ যাবে মৃত ১৫ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি ভোটার; সেই সঙ্গে যোগ হবে ৪৩ লাখ নতুন ভোটার। সে হিসাবে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দেশের ভোটার সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১০ কোটি ৪৬ লাখের বেশি।

২০১৬ সালে ভোটার দাঁড়ায় প্রায় ১০ কোটি : ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি হালনাগাদের পরে ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ওই বছর জানুয়ারিতে যোগ হওয়া প্রায় ৪৪ লাখ ৩৩ হাজার নতুন ভোটার নিয়ে দেশে ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ কোটি ৯৯ লাখ। মোট ভোটারের মধ্যে নারী ও পুরুষের অনুপাত প্রায় সমান। হিসাবে দেখা যায়, ওই বছর দেশের মোট ভোটার সংখ্যা হয় ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৩ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৬২ জন (৫০.৩৭%)। নারী ৪ কোটি ৯৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৯১ জন (৪৯.৬৩)। তার আগে ভোটার ছিল ৯ কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৪৯৭ জন। এক্ষেত্রে ২০১৫ সালের হালনাগাদের সময় ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭১ জন মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

নতুন ভোটার— পুরুষের চেয়ে নারী বেশি : ১০ বছরে প্রথমবারের মতো ভোটার তালিকা হালনাগাদে পুরুষের চেয়ে নারীদের কাছ থেকে আবেদন বেশি পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবারের হালনাগাদে নিবন্ধিতদের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৭৭ হাজার ৩৯৩ বেশি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মাঠ পর্যায় থেকে কমিশনে যে তথ্য এসেছে, তাতে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৬১ হাজার ৮৩৫ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৩৯ হাজার ২২৮ জন। সর্বশেষ হালনাগাদে নারী ভোটার সংখ্যা এগিয়ে থাকলেও মোট ভোটারের সংখ্যায় পুরুষের সঙ্গে বড় ব্যবধান কমাতে পারেনি জনসংখ্যার অনুপাতেও পিছিয়ে থাকা নারীরা।

তবে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৭-২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা চালুর পর হালনাগাদে এত সংখ্যক নারী ভোটারের তথ্য সংগ্রহ আর হয়নি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ পুরুষ আর ৮ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার নারী। -বিডি প্রতিদিন

#%f0%9f%92%96%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a1-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c-lead-news%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f, #%f0%9f%92%96%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-top-20%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে আরও সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস তুরস্কের

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে আরও সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তুরস্ক। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) ইস্তাম্বুল কংগ্রেস অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান এই আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদও রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।
আবদুল হামিদ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে দিনে দিনে বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’ তিনি ওআইসি’র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদে নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে তুর্কী নেতার সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি, সেখানে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ওআইসি’র বিশেষ শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের সময়োচিত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।
এরদোগান রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্যাপক আলাপ-আলোচনার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘তার দেশ সব ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’এরপর সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর হাসান আহমদ আল-বশির রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সুদানের প্রেসিডেন্ট বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। সূত্র: বাসস

#%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-top-20%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f, #%f0%9f%92%96%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-rohingya-news%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

ফ্রান্সের তেল কোম্পানি ‘টোটাল’ বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায়


বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল অনুসন্ধান ও বিপণন কোম্পানি ফ্রান্সের ‘টোটাল’ বাংলাদেশে এলপিজি ও এলএনজি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের সময় এই আগ্রহের কথা জানান টোটালের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফিলিপ সাউকুয়েট। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

সকালে ‘মুভমেন্ট অব দ্য এন্টারপ্রাইজ অব ফ্রান্স’র (এমইডিইএফ) উদ্যোগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্যারিস লা গ্রান্ডে আয়োজিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাতরাশকালীন সভার পরে হোটেলের দ্বিপাক্ষিক সভাকক্ষে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৩০টি দেশে টোটালের এলএনজি এবং এলপিজি খাতে ব্যবসা রয়েছে।

সাউকুয়েট বলেন, টোটাল ২০০২ সালে বাংলাদেশে তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করে এবং তাদের বোতলজাত করার প্ল্যান্ট রয়েছে, যার ২ হাজার ৫০০ মিটার কার্বন স্টোরেজ রয়েছে। তারা এখন এর সক্ষমতাকে দ্বিগুণ করতে চায় এবং কোম্পানিটি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই পরামর্শ শুরু করেছে।

টোটাল ইভিপি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণেরও আগ্রহ প্রকাশ করে এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চায়।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সাউকুয়েট প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানান। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি দেখার বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেন।

এরপরে, ফরাসি অ্যারোনটিক্স কোম্পানি থ্যালেস-এর সিনিয়র নির্বাহী সহ-সভাপতি মার্টিন ভ্যান সাইক হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্যারিস লা গ্রান্ডে দ্বিপাক্ষিক সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মার্টিন প্রধানমন্ত্রীকে এ সময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণ কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানান। তিনি জানান, তারা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নির্মাণ কাজ শেষ করেছেন এবং এটি ২০১৮ সালের মার্চ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরল স্পেস স্টেশন থেকে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

থ্যালেস’র কর্মকর্তা বলেন, এটি মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়ে গেলে বাংলাদেশ মহাকাশ থেকে বিভিন্নরকম তথ্য পেতে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় মহাকাশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করার পরিকল্পনার কথা জানান।

একই দিন আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং চলতি ঘটনাবলিভিত্তিক টিভি চ্যানেল ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরকে সাক্ষাৎকারও দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্র: বাসস

#%f0%9f%92%96%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-business%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল মর্যাদায় বাংলাদেশ মার্চেই


গরিব দেশের তকমা আর নয়, নয় তলাবিহীন ঝুড়ির গল্পও। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায়ও থাকছে না বাংলাদেশ।

সব শর্ত পূরণ করে জাতিসংঘের কাছ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছানোর সক্ষমতা অর্জন করার ঘোষণা পাওয়ার অপেক্ষায় ক্ষণ গণনা শুরু করেছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। আগামী মার্চেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসতে পারে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএনসিডিপি) ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনাসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা মিলতে পারে—উন্নয়শীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার সব শর্ত পূরণ করেছে বাংলাদেশ। জানা যায়, গত অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসা ইউএনসিডিপির উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ফিরে গিয়ে সদর দপ্তরে দাখিল করা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জন্য এমন ‘সুখবরের’ কথা বলেছে। তবে সুখবরের সঙ্গে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধাসহ আরো বেশ কিছু সুবিধা হাতছাড়া হবে বাংলাদেশের। সেসব সমস্যা কাটাতে একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ইউএনসিডিপির প্রতিনিধিদল ফিরে গিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে, তাতে বলা হয়েছে—স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের তিনটি সূচকের সবগুলোই বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক (এইচএআই) ও অর্থনৈতিক সংকট সূচক (ইভিআই) জাতিসংঘের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। তিনটি সূচকের যেকোনো দুটি সূচক পূরণ করলেই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়া যায়।

আগামী বছরের মার্চ মাসে ইউএনসিডিপির ত্রিবার্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণে সুপারিশ লাভ করবে।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাংলাদেশ যে এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে, তা আমরা জাতিসংঘকে জানিয়ে এসেছি। তারাও হিসাব করে দেখেছে যে বাংলাদেশ তিনটি শর্তই পূরণ করেছে। আগামী মার্চে জাতিসংঘের সিডিপির বৈঠকে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ আসতে পারে। ’ সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে কোন ধরনের অসুবিধা দেখা দিবে তার একটি ধারণাপত্র আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রণয়ন করা হবে। এটি করবে ইআরডি ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)।

জানা যায়, এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ নিয়ে গত ২২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়েছে। তাতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম বলেন, গত ৯ থেকে ১২ অক্টোবর ইউএনসিডিপি সচিবালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে। ওই সময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউএনডিসিপির মধ্যে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে তিনটি নির্ণায়কের মানের ব্যবধান হ্রাস পেয়েছে। সফর শেষে ইউএনসিডিপির প্রতিবেদনে তিনটি সূচকের সবটাতেই বাংলাদেশ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে মর্মে মন্তব্য সন্নিবেশ করেছে। ফলে আগামী মার্চ মাসে অনুষ্ঠেয় ইউএনসিডিপির ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা (ট্রাইনিয়াল রিভিউ) বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণে সুপারিশ লাভ করবে বলে আশা করা যায়।

জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলটি আসার আগে গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ইআরডি থেকে দুটি প্রতিনিধিদল জাতিসংঘে যায়। সেখানে বাংলাদেশ যে এলডিসি থেকে উত্তরণের শর্ত পূরণ করেছে, সেগুলো তুলে ধরে তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এলডিসি থেকে কোন কোন দেশ উন্নীত হবে, সে সিদ্ধান্ত হবে ইউএনসিডিপির ২০১৮ সালের মার্চের বৈঠকে। শর্তপূরণ করা স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত করার বিষয়টি বিবেচনা করবে সংস্থাটি। আগামী নির্বাচনের আগেই তিনটি শর্ত পূরণ করা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পথে থাকা দেশের তালিকায় রাখতে চায় সরকার। সংস্থাটির পরের বৈঠক হবে ২০২১ সালে। এই তিন বছর তিনটি সূচকে পিছিয়ে না পড়লে ২০২৪ সালে জাতিসংঘের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ। তবে এলডিসি হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত ভোগ করতে পারবে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের শর্তানুযায়ী, কোনো দেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে পর পর তিন বছর মাথাপিছু জাতীয় আয় (জিএনআই) এক হাজার ২৪২ ডলার হতে হবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের গড় মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার। আর জাতিসংঘের শর্তানুযায়ী, মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকে ১০০-এর মধ্যে ৬৬ বা তার বেশি অর্জন করতে হয়, বাংলাদেশের অবস্থান ৭০-এ। আর অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা তার নিচে থাকার শর্ত রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান ২৫.০৩-এ। বিবিএসের এসব তথ্যের সঙ্গে জাতিসংঘের তথ্যের কিছুটা ফারাক ছিল। ইউএনসিডিপির প্রতিনিধিদের সফরের সময় উভয় পক্ষের আলোচনায় এই ফারাক কমে গেছে।

এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়া-আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বিনাশুল্কে রপ্তানি সুবিধা পাচ্ছে। বাংলাদেশের ৩৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের ২৭ বিলিয়ন ডলারই আসে এসব দেশ থেকে। এ ছাড়া, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে কম সুদে বা বিনা সুদে ঋণ সহায়তা পেয়ে থাকে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে চড়া সুদে ঋণ নিতে হবে। ২০২৭ সালের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসহ নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুবিধা কমে যাবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, কানাডাসহ বর্তমানে যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দিচ্ছে, সেসব দেশ এ সুবিধা বহাল রাখবে বলে সম্প্রতি আশা ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ প্রসঙ্গে আগে বলেছেন, ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় রয়েছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসাটা এক ধরনের প্রমোশন ও সন্তুষ্টির বিষয়। এ ধরনের স্বীকৃতিতে আত্মগরিমা বাড়ে। তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের সুদ বেড়ে যাবে। ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংকের বিবেচনায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের খ্যাতি অর্জন করার পরপরই অনেক দেশ ও সংস্থা তাদের ঋণের সুদ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

এসডিজির মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘২০২৭ সালের পর আমরা আর এলডিসির সুবিধা পাব না। তবে ওই সময় যাতে আরো ভালো কোনো সুবিধা পেতে পারি, সে জন্য চেষ্টা চলছে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সুবিধা বন্ধ হলে ১০টি সুবিধার দুয়ার খুলবে। ’

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘সুপারিশ পেলেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের এলডিসির সুবিধা থাকবে। এই এক দশকে বাংলাদেশও থমকে থাকবে না। অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে যাবে। রপ্তানিকারকরাও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অর্জন করবেন। তা ছাড়া, উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরও যাতে এখনকার মতোই জিএসপি সুবিধা পাওয়া যায়, সে জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। তাই রপ্তানি সুবিধা নিয়ে বড় উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ পেতে বেশি সুদ গুনতে হবে। ’ তিনি আরো বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর হলে সুনামের পাশাপাশি বিনিয়োগ, বাণিজ্যে নতুন কিছু সুবিধাও পাওয়া যাবে। বিনিয়োগে বিদেশিদের আস্থা বাড়বে। তাই যত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নীত হবে, ততই মঙ্গল। ’

১৯৭১ সাল থেকে জাতিসংঘ বাংলাদেশসহ বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে ‘এলডিসি’ তালিকায় রেখেছে। এসব দেশ নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান আংকটাডের নেতৃত্বে সম্মেলন হয়েছে। সর্বশেষ ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এলডিসির অভিধায় থেকে বের হওয়ার জন্য কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় পায় দেশগুলো। ২০২০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশের সংখ্যা ৪৮ থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার চিন্তা করছে।

#%f0%9f%92%96%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-top-20%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

মিয়ানমারের জেনারেলদের বিরুদ্ধে শাস্তির প্রস্তাব

6a7e3aab15947679eb1918685e5a2083-59d4abdfc0716

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর রাখাইনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের দায়ে এবার মিয়ানমারের জেনারেলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। মিয়ানমারের জেনারেলদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতাসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আইনি ব্যবস্থাসহ ১২ দফা প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ফ্রান্সের স্ত্রাসবুর্গে ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতি’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে বলেন। মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়াসহ চলমান সংকটের মূল সমস্যাগুলো সমাধানের তাগিদ দিয়ে ৬ ডিসেম্বর ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ১২ দফা প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার ওই প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে যাচ্ছে।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবর ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্যরা রোহিঙ্গাদের ওপর ‘মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের’ অভিযোগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া দেশটির সঙ্গে সব ধরনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পর্যালোচনা করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। লুক্সেমবার্গে ইউরোপীয় কাউন্সিলের বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কাউন্সিলের সদস্যরা ২৮ দেশের জোটের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান হলেও ওই আলোচনায় মূলত অধিকাংশ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।

গত মঙ্গলবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ওই আলোচনায় ইইউর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ফেদেরিকা মোঘেরিনি তাঁর বক্তৃতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্কতার সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সই হওয়া চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, পুরো পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে তা সূক্ষ্মভাবে নজর দেওয়া উচিত। নভেম্বরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া এখন আর রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়, বরং এটি এখন নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, তিনি যে দৃশ্য দেখেছেন, তা কখনো ভোলার নয়। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশই শিশু।

তবে ওই আলোচনায় মোঘেরিনি ছাড়া যে ২৬ জন এমপি অংশ নিয়েছেন, তাঁদের প্রায় সবাই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি, দায়ী সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্য অবরোধ আরোপ ও বাণিজ্যসুবিধা বন্ধের তাগিদ দেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

ss-20171214000526আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকহানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

বিনয় এবং শ্রদ্ধায় আজ জাতি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করবে। একইসঙ্গে এবারও জাতির প্রত্যাশা, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা হত্যা করেছে তাদের মধ্যে যারা বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে আছে অথবা পলাতক আছে তাদের বিচারের রায় কার্যকর করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করা হবে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ নানা পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, দিনব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, মৌন মিছিল ইত্যাদি। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি এক বাণীতে বলেন, ‘১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, যারা ১৯৭১ সালে বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদারবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন। আমি তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, আজকের এই দিনে আমি দেশবাসীকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মহান ত্যাগকে স্মরণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাই।”

বুদ্ধিজীবী হত্যায় সরাসরি জড়িত চৌধুরী মুঈনুউদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায় বিচার এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। চৌধুরী মইনুদ্দীন যুক্তরাজ্য এবং আশরাফুজ্জামান খান যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক রয়েছে। তাদেরকে ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

hello

hello

test post

test post

কিসিঞ্জারকে সমৃদ্ধির বাংলাদেশ দেখার আমন্ত্রণ আরএফএলের

kichinger-20171213124711

বাংলাদেশের মেয়েরা এখন সাইকেলে চেপে স্কুলে যায়। মেয়েরা অজোপাড়া থেকে গার্মেন্টে এসে কাপড় বুনিয়ে বিশ্বকে সভ্য করে। বাংলাদেশের নারীরা এখন বৈমানিক। এ দেশের মানুষের ঘাম ঝরানো অর্থে পদ্মা সেতু হচ্ছে। হাজারো স্বপ্ন বাস্তবায়নের নাম এখন বাংলাদেশ।

প্রায় অর্ধশত বছর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে অভিশপ্ত তকমা দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে, তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি’ নয় আর, বাংলাদেশের তলা এখন বেশ শক্ত। যেখানে দাঁড়িয়ে বিশ্বকেও চ্যালেঞ্জ করতে দ্বিধা করে না এখানকার মানুষ।

‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যা দেয়া হেনরি কিসিঞ্জারকে বাংলাদেশ দেখে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আরএফএল। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর উপলক্ষে এই আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে অনলাইনে একটি কাম্পেইনও চলছে, যাতে সবাই অংশগ্রহণ করে একই আহ্বান জানাতে পারেন। নাম, মোবাইল নম্বর অথবা ই-মেইল ব্যবহার করে যে কেউ এই আহ্বান জানাতে পারবেন।

কিসিঞ্জারকে বাংলাদেশ দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে যেতে হবে এই ঠিকানায় https://invitekissingerbd.com/। এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার নাম এবং মোবাইল অথবা ই-মেইল অ্যাড্রেস দেয়ার পর ইনভাইট বাটনে ক্লিক করলে কিসিঞ্জারের কাছে আমন্ত্রণ চলে যাবে। সঠিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর পর আমন্ত্রণকারী পাবেন আরএফএলের সকল পণ্যে ১৬ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ অফার।

কিসিঞ্জারকে আমন্ত্রণ জানানোর সাইটিতে বলা হয়, ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে বাংলাদেশকে তুচ্ছ করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার। বাংলাদেশ কী তলাবিহীন ঝুড়ি? যদি তা না হয়, চলুন কিসিঞ্জারকে আমন্ত্রণ জানাই বাংলাদেশে। সে এসে দেখে যাক, বাংলাদেশ নামক ঝুড়িটার তলা কতোটা শক্ত ও মজবুত! যেখানে আমরা ১৬ কোটিরও বেশি মানুষ হাজারো সাফল্য নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছি।’

ওয়েবপেজটিতে হেনরি কিসিঞ্জারের ছবি দিয়ে আরও বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি না, আমরা নতুন বাংলাদেশ।’

স্বাধীনতার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস’ অর্থাৎ তলাবিহীন ঝুড়ি। এখানে যত অর্থই ঢালা হবে, তলা না থাকায় কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

হেনরি কিসিঞ্জারের সে উক্তি মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছেন তারই দেশের সাবেক পরারাষ্টমন্ত্রী জন কেরি। গেলো বছরের ২৯ আগস্ট ঢাকা সফরে এসে জন কেরি বলেছিলেন, মেধা, পরিশ্রম আর একাগ্রতার মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে একসঙ্গে কাজ করতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

হাজারো প্রতিবন্ধকতা পায়ে মাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার পর থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশে গড়ে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হার সাড়ে ৪ শতাংশের বেশি বাড়েনি। পরের ১০ বছর জিডিপি বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ হারে। আর গত ১২ বছর ধরে দেশের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এখন তা ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। আশা আর সম্ভাবনা জাগানিয়া নতুন পরিচয় মেলে ধরছে বাংলাদেশ।

enJoy Freedom of Publishing on MyCtgBangla

myctgbangla.wordpress.com
enJoy Freedom of Publishing on MyCtgBangla

just Log in with open credendial:
Username: cjmcb321
Password: myctgbangla

we are now faster, front-end editable like as usual as you use facebook.

enJoy freedom of Publishing/Blogging !

-MyCtgBangla

#%f0%9f%92%96%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-tech%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

enJoy Freedom of Publishing on MyCtgBangla

myctgbangla.wordpress.com
enJoy Freedom of Publishing on MyCtgBangla

just Log in with open credendial:
Username: cjmcb321
Password: myctgbangla

we are now faster, front-end editable like as usual as you use facebook.

enJoy freedom of Publishing/Blogging !

-MyCtgBangla

#%f0%9f%92%96%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-tech%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

Image Post

#%f0%9f%92%96%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-sports%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

‘জেরুজালেম ইস্যুতে ওআইসি নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না’

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ আজ বলেছেন, জেরুজালেম ইস্যুতে ওআইসি নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে একটি সমন্বিত জবাবের সিদ্ধান্ত নিতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মুসলিম দেশগুলোর বৃহত্তম সংগঠন ওআইসির একটি জরুরি সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)’র এ ৬ষ্ঠ বিশেষ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই বৈরী পদক্ষেপে ওআইসি দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আমাদের অবশ্যই আল কুদস (জেরুজালেম) বিষয়ে এ পর্যন্ত গৃহীত ওআইসির বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তসমূহ নিয়ে নিবিষ্ঠভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, এই জরুরি সম্মেলন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই জোরালো বার্তা পৌঁছে দেবে যে, আমরা ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকারের লড়াইয়ে তাদের পেছনে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা তাদের প্রয়োজনীয় সমর্থন ও শক্তি যোগাবো। ওআইসির বর্তমান চেয়ার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মুসলিম দেশগুলোকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত বলে মন্তব্য করার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের ব্যাপক প্রতিবাদ হয়। এর এক সপ্তাহ পর ইস্তাম্বুল কংগ্রেস এন্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ওআইসির এ বিশেষ সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি মুসলিম দেশের রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান ও মন্ত্রীগণ যোগ দেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, বাংলাদেশ ও এর জনগণ জেরুজালেমকে ইসরাইলের কথিত রাজধানী হিসেবে মার্কিন ঘোষণার বিপক্ষে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্কিন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল এবং ন্যায় ও সুবিচারের প্রহসনের সম্মুখীন ফিলিস্তিনিদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সত্যিকার গঠনমূলক ও আশাব্যাঞ্জক ভূমিকা আহ্বানের মধ্যদিয়ে মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে সামিল হয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে তার অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবন এবং এ সংকট সমাধানে একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের আওতায় একটি গঠনমূলক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ৬ ডিসেম্বর তারিখে মার্কিন ঘোষণা এবং তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর প্রক্রিয়া মুসলিম অনুভূতিকে আহত করেছে এবং ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। এছাড়া এটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার জন্যও বিরাট হুমকির সৃষ্টি করেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সিদ্ধান্ত আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সৎ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মার্কিন প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মক হ্রাস করেছে। রাষ্ট্রপতি একই সাথে ইসরাইলের গৃহীত নীতি-কৌশল ও পদক্ষেপসমূহ বন্ধ বাতিলের জন্য ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে ওআইসির তাৎক্ষণিক ও সক্রিয় সম্পৃক্ততা কামনা করেন।

#%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a7%a8%e0%a7%a6-top-20%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

কাল দেশে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ওয়ান প্লানেট সামিট’ উপলক্ষে ফ্রান্সে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে আগামীকাল দেশে ফিরছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী আমিরাতের ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ২টা ৩৫ মিনিটে) প্যারিসের চার্লস দ্য গল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাবেন।
প্রধানমন্ত্রী দুবাই হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।

যৌথ আয়োজক ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো, জাতিসংঘ মহাসচিব এ্যান্টোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম-এর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্যারিসে ‘ওয়ান প্লানেট সামিট’-এ যোগদান করেন।

গত মঙ্গলবার ফ্রান্সের রাজধানীর পশ্চিম উপকণ্ঠের সেনগুইন দ্বীপে অবস্থিত মিউজিক ও পারফর্মিং আর্ট সেন্টার লা সেইন মিউজিক্যাল-এ অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ সম্মেলনে এনজিও ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার দুই হাজার প্রতিনিধিসহ শতাধিক বিশ্ব নেতা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেয়া রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, যৌথ আয়োজক ও ভিআইপিদের সম্মানে ইলিসি প্যালেসে ফরাসি প্রেসিডেন্টের দেয়া মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ইন্টারন্যাশনাল প্যারিস লা গ্রান্ড-এ এক কমিউনিটি সংবর্ধনায় অংশ নেন।

শেখ হাসিনা বুধবার হোটেল ইন্টারন্যাশনাল প্যারিস লা গ্রান্ডে ফ্রান্সে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে মিলিত হন।

#%f0%9f%92%96%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-pm-news%f0%9f%8f%b7%ef%b8%8f

শিক্ষা খাতে দুর্নীতি বন্ধে দুদকের ৩৯ সুপারিশ

e96397092a6be7f64ce15fa1e3eb574c-5a315b6462e4a.jpgশিক্ষা খাতে দুর্নীতি বন্ধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৩৯টি সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা শিক্ষা খাতে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্র ফাঁস, নোট অথবা গাইড, কোচিং-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ, এমপিওভুক্ত, নিয়োগ ও বদলিসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির উৎস এবং তা বন্ধের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বরাবর ৩৯টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছি।’ তিনি জানান, শিক্ষা খাতে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সুপারিশমালা তৈরি করা হয়েছে।

দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসব সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রণব কুমার ভট্টাচার্য আরও জানান, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস দুর্নীতির নতুন সংযোজন। অবৈধ অর্থের বিনিময়ে কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা এ জাতীয় অপরাধে সংশ্লিষ্ট থাকেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসে শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ সরকারি প্রেস (বিজি প্রেস), ট্রেজারি এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে কোচিং সেন্টার, কিছু প্রতারক শিক্ষক ও বিভিন্ন অপরাধী চক্র যুক্ত থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

#top